খবর

অস্তিত্ব সংকটে লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় রেস্তোরাঁ

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • বাংলাস্ফিয়ার: বন্ধ হওয়ার মুখে ব্রিটেনের সবচেয়ে পুরনো ভারতীয় রেস্তোরাঁ 'বীরস্বামী'।
  • ১৯২৬ সালে লন্ডনের রিজেন্ট স্ট্রিটে ঐতিহাসিক এই রেস্তোরাঁটির যাত্রা শুরু হয়েছিল।
  • মার্চ মাসে শতবর্ষে পা দিতে চলেছে এই প্রাচীন রেস্তোরাঁটি।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

বাংলাস্ফিয়ার: বন্ধ হওয়ার মুখে ব্রিটেনের সবচেয়ে পুরনো ভারতীয় রেস্তোরাঁ ‘বীরস্বামী’। ১৯২৬ সালে লন্ডনের রিজেন্ট স্ট্রিটে ঐতিহাসিক এই রেস্তোরাঁটির যাত্রা শুরু হয়েছিল। মার্চ মাসে শতবর্ষে পা দিতে চলেছে এই প্রাচীন রেস্তোরাঁটি। ঠিক এই বিশেষ মুহূর্তের প্রাক্কালে রেস্তোরাঁ বন্ধের খবরে গভীর হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে অসংখ্য মানুষের মনে। যাঁরা এই রেস্তোরাঁটিকে বিশেষ পছন্দ করেন।স্বাভাবিকভাবেই এর অধিকাংশই প্রবাসী ভারতীয়।শোনা যায়, যুদ্ধকালীন বোমা বর্ষণের মধ্যেও নাকি রেস্তোরাঁটি খোলা রাখা হয়েছিল।

তবে কেন আজ অস্তিত্ব সংকটে এই ঐতিহ্যবাহী রেস্তোরাঁটি? জানা গিয়েছে, কোনও এক বিষয়ে বিবাদের জেরে বিল্ডিং কর্তৃপক্ষ রেস্তোরাঁটির লিজ আর পুনর্নবীকরণ করতে আগ্রহী নয়।

তবে ক্রাউন এস্টেটের( রেস্তোরাঁর বিল্ডিং) কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ভবনের যে অংশে রেস্তোরাঁটি রয়েছে সেখানে বড়সড় সংস্কারের প্রয়োজন। ফলত, রেস্তোরাঁটি চালু রাখা সম্ভব নয়। এমনকী রেস্তোরাঁর মালিকপক্ষকে আর্থিক ক্ষতি পূরণ ও বিকল্প জায়গা খুঁজে দিতেও রাজি তাঁরা। ওই বিল্ডিংয়ের এক কর্মকর্তার কথায়, এই সিদ্ধান্ত অনেক ভেবে চিন্তেই নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, রেস্তোরাঁটি বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন শেফ, সমাজকর্মীসহ বহু মানুষ। তাঁদের কথায়, এই রেস্তোরাঁ দুই দেশের সংস্কৃতিক সম্প্রীতির প্রতীক। তাই এই রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে যাক, এটা কোনও ভাবেই চায় না তাঁরা। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বাকিংহাম প্যালেসের দরবারে হাজির হয়ে এই বিষয়ে তৃতীয় চার্লসের হস্তক্ষেপ চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। কারণ চার্লস বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সেতু বন্ধন ও সংযোগ স্থাপনে বিশ্বাসী বলে পরিচিত মুখ।

উল্লেখ্য, বাকিংহাম প্যালেস জানিয়েছে, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে ক্রাউন এস্টেটের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে।

Co-owner Ranjit Mathrani

ইতিমধ্যে রেস্তোরাঁটি বাঁচানোর পিটিশনে ১৮ হাজারের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন। বিখ্যাত শেফ রেমন্ড ব্লাঁ, মিশেল রু এবং রিচার্ড কোরিগানের মতো ব্যক্তিরাও সমর্থন জানিয়েছেন।

রেস্তোরাঁটির মালিক এক রঞ্জিত মাথরানি জানান, জানান, মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু থেকে শুরু করে চার্লি চ্যাপলিন, উইনস্টন চার্চিলের মতো বহু বিশিষ্ট মানুষ এখানে এসেছেন। তিনি আরও বলেন, তাঁদের রেস্তোরাঁই অন্য সব ভারতীয় খাবারের রেস্তোরাঁর পথপ্রদর্শক।

আগামী মার্চে রেস্তোরাঁটির ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে এই দাবির সমর্থনে জোরালো আওয়াজ উঠার সম্ভবনা রয়েছে।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

পার্বণ

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles