খবর

গলছে লন্ডন-বেজিং বরফ

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • সেই ২০১৮ সালে শেষবার থেরেসা মে গিয়েছিলেন চিনে।
  • তারপর থেকে ডাউনিং স্ট্রিট আর বেজিংয়ের সম্পর্কে শুধুই খটমট।
  • অবশেষে সেই খরা কাটিয়ে বৃহস্পতিবার চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মুখোমুখি হলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

বাংলাস্ফিয়ার: দীর্ঘ ছ’বছর পর ভাঙল জমাট বরফ। সেই ২০১৮ সালে শেষবার থেরেসা মে গিয়েছিলেন চিনে। তারপর থেকে ডাউনিং স্ট্রিট আর বেজিংয়ের সম্পর্কে শুধুই খটমট। অবশেষে সেই খরা কাটিয়ে বৃহস্পতিবার চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মুখোমুখি হলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ব্রিটেন ও চিন তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি দেয় এই বৈঠকে। স্টারমারের অফিস তো স্পষ্টই জানিয়েছে, ফ্রান্স বা জার্মানির মতো দেশগুলো যখন বারবার চিনে গিয়ে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিচ্ছে, ব্রিটেন তখন হাত গুটিয়ে বসে থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল। সেই ‘মিসিং আউট’ মেটাতেই এই সফর।

 

এই মেগা বৈঠকের পরই ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য বড় ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার। খুব শীঘ্রই তাঁরা ভিসা ছাড়াই চিন ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। একইসঙ্গে দুই দেশ তাদের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। এরই প্রতিফলন হিসেবে ব্রিটিশ ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকা (AstraZeneca) ঘোষণা করেছে, চিনে উৎপাদন ও গবেষণা পরিকাঠামো বাড়াতে তারা প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।

 

তবে চিনের সঙ্গে এই নতুন সমীকরণ নিয়ে দেশের মাটিতে সমালোচনার মুখেও পড়তে পারেন স্টারমার। চিনের নিরাপত্তা সংক্রান্ত হুমকি নিয়ে ব্রিটিশ রাজনীতিতে জলঘোলা কম হয়নি। যদিও স্টারমার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি বন্ধুত্বের হাত বাড়ালেও চোখ বুজে নেই। তাঁর কথায়, ব্রিটেন সবসময়েই ‘বাস্তববাদী ও সতর্ক’ থাকবে। তিনি মনে করেন, গত কয়েক বছরে দু’দেশের সম্পর্ক এক ঝটকায় ‘স্বর্ণযুগ’ থেকে ‘তুষারযুগে’ চলে গিয়েছিল। এবার একদল ব্যবসায়ী এবং সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে সেই স্থিতাবস্থা ফেরাতে চান তিনি।

 

বন্ধুত্বের এই আবহ তৈরি করতে গত সপ্তাহেই লন্ডনে চিনের একটি বিশাল নতুন দূতাবাস তৈরির অনুমতি দিয়েছে স্টারমার সরকার। যদিও ব্রিটিশ বিরোধী শিবিরের দাবি, এই সিদ্ধান্ত জাতীয় নিরাপত্তাকে বড়সড় ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতে পারে। তবে সেই সমস্ত আপত্তি সরিয়ে রেখে আপাতত লাল চিনের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সেতুবন্ধনেই বেশি মরিয়া ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

 

 

 

 

 

 

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

পার্বণ

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles