খবর

সুমিত রায়ের গ্রেপ্তারিতে স্থগিতাদেশ

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • হাইলাইটস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সহকারী সুমিত রায়কে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিল সুপ্রিম কোর্ট।
  • এক সপ্তাহ গ্রেপ্তার করা যাবে না, তবে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ।
  • জিজ্ঞাসাবাদের সময় আইনজীবী বা অন্য কাউকে সঙ্গে রাখা যাবে না।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

হাইলাইটস

  • অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সহকারী সুমিত রায়কে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিল সুপ্রিম কোর্ট।
  • এক সপ্তাহ গ্রেপ্তার করা যাবে না, তবে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ।
  • জিজ্ঞাসাবাদের সময় আইনজীবী বা অন্য কাউকে সঙ্গে রাখা যাবে না।

ভূমি দখল ও প্রতারণা সংক্রান্ত মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সহকারী সুমিত রায়কে আপাতত গ্রেপ্তার করা যাবে না বলে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তকারী সংস্থা যখনই তলব করবে, তখনই হাজির হতে হবে এবং তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে।

বিচারপতির বেঞ্চ এক সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়ে নির্দেশ দেয়, সুমিত রায় সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে তদন্তে অংশ নেবেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর সঙ্গে কোনও আইনজীবী বা অন্য কাউকে থাকার অনুমতি দেওয়া হবে না। তদন্তে কোনওরকম বাধা সৃষ্টি করা যাবে না বলেও আদালত জানিয়েছে।

মামলাটি পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি এলাকার একটি ভূমি দখল ও প্রতারণার অভিযোগকে কেন্দ্র করে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সরকারি ও ব্যক্তিগত জমি জাল নথির মাধ্যমে দখল ও বিক্রির একটি চক্রের সঙ্গে সুমিত রায়ের যোগ রয়েছে। যদিও তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে শুরু থেকেই দাবি করে আসছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁকে মামলায় জড়ানো হয়েছে।

তদন্ত চলাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। পরে তাঁকে খুঁজতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কলকাতায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনেও তল্লাশি চালায়। পুলিশ জানায়, তাঁকে না পাওয়ায় আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হয় এবং পরে তাঁর বিরুদ্ধে লুক-আউট নোটিস জারি করা হয়।

এরপর সুমিত রায় প্রথমে কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেন। সেখানে রাজ্য সরকারের দাবি ছিল, তদন্তে সংগৃহীত নথি ও সাক্ষীদের বয়ানে তাঁর ভূমিকার উল্লেখ রয়েছে। অন্যদিকে, সুমিত রায়ের আইনজীবীরা আদালতে বলেন, অভিযোগের ঘটনার বহু বছর পরে মামলা করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

হাই কোর্টে স্বস্তি না মেলায় তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। শীর্ষ আদালত আপাতত সীমিত সময়ের জন্য তাঁকে গ্রেপ্তারি থেকে সুরক্ষা দিলেও তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার শর্ত আরোপ করেছে।

তদন্তকারী সংস্থার দাবি, মামলায় ভুয়ো স্ট্যাম্প, জাল নথি এবং একাধিক আর্থিক লেনদেনের সূত্র মিলেছে। ধৃত অন্য অভিযুক্তদের কাছ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে তাদের দাবি। সেই সূত্র ধরেই সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সুমিত রায়ের পক্ষের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ প্রমাণ নেই এবং তিনি তদন্তে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। আপাতত সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশে তিনি সাময়িক স্বস্তি পেলেও মামলার তদন্ত আগের মতোই চলবে। পরবর্তী শুনানিতে তদন্তের অগ্রগতি ও মামলার নথি বিবেচনা করে আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

বিষয়:
লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles