খবর

আর্টেমিস সম্পর্কে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • প্রস্তুতি পর্ব : বুধবার বিকেলে রকেটটিতে জ্বালানি ভরা হয় এবং নভোচারীদের উৎক্ষেপণের অনেক আগেই ক্যাপসুলে বসে থাকতে দেখা যায়।
  • আবহাওয়া দফতর জানায়, দু’ঘণ্টার উৎক্ষেপণ সময়সীমায় ৮০ শতাংশ অনুকূল আবহাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
  • এই সময়সীমা রাখা হয়েছিল যাতে শেষ মুহূর্তের কোনও ত্রুটি মেরামত করা যায় বা বিপজ্জনক মেঘ সরে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা যায়।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

প্রস্তুতি পর্ব : বুধবার বিকেলে রকেটটিতে জ্বালানি ভরা হয় এবং নভোচারীদের উৎক্ষেপণের অনেক আগেই ক্যাপসুলে বসে থাকতে দেখা যায়। আবহাওয়া দফতর জানায়, দু’ঘণ্টার উৎক্ষেপণ সময়সীমায় ৮০ শতাংশ অনুকূল আবহাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়সীমা রাখা হয়েছিল যাতে শেষ মুহূর্তের কোনও ত্রুটি মেরামত করা যায় বা বিপজ্জনক মেঘ সরে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা যায়।

 

প্রযুক্তিগত জটিলতা: অতীতে যেমন হাইড্রোজেন বা হিলিয়ামের লিকের মতো সমস্যায় উৎক্ষেপণ আটকে গিয়েছিল, এবার সেগুলি দেখা যায়নি। তবে অন্য কিছু সমস্যা ছিল। প্রথমে রকেটের ‘ফ্লাইট টার্মিনেশন সিস্টেম’-এ একটি ত্রুটি ধরা পড়ে, যা জরুরি অবস্থায় ক্যাপসুল আলাদা হয়ে গেলে রকেট ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। পরে সেটি ঠিক করা হয়। তারপর সন্ধ্যা প্রায় ৫টা ৩০ মিনিটে নাসা জানায়, ক্যাপসুলের সেই বিচ্ছিন্নকরণ ব্যবস্থার একটি ব্যাটারি নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে, যা সমাধানের কাজ চলছিল।

 

ঐতিহাসিক প্রথম: এই অভিযানে একাধিক নতুন ইতিহাস তৈরি হচ্ছে। পাইলট ভিক্টর গ্লোভার হবেন প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি, যিনি চাঁদের চারপাশে ভ্রমণ করবেন। ক্রিস্টিনা কচ হবেন প্রথম মহিলা, এবং জেরেমি হ্যানসেন হবেন প্রথম কানাডিয়ান, যিনি এই যাত্রায় অংশ নেবেন। উইসম্যান, গ্লোভার ও কচ আগে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে সময় কাটিয়েছেন, কিন্তু হ্যানসেনের এটি হবে প্রথম মহাকাশযাত্রা।

 

রকেট ও ক্যাপসুল: নভোচারীরা মহাকাশে যাবেন ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’ বা এসএলএস রকেটে চড়ে যা অ্যাপোলো যুগের স্যাটার্ন ভি রকেটের আধুনিক সংস্করণ। এই রকেটটির উচ্চতা ৩২২ ফুট এবং জ্বালানি ভরা অবস্থায় এর ওজন ৫.৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড। মহাকাশে পৌঁছানোর পর তাঁরা রকেট থেকে আলাদা হয়ে ‘ওরিয়ন’ ক্যাপসুলে চড়ে চাঁদের দিকে এগোবেন। এই ক্যাপসুলের অভ্যন্তরীণ জায়গা প্রায় দুটি মিনিভ্যানের সমান।

 

১০ দিনের যাত্রা: আর্টেমিস II-এর পথচিত্র অতীতের কোনও চাঁদ অভিযানের মতো নয়, ভবিষ্যতেও হয়তো তেমন হবে না। প্রথম কয়েক ঘণ্টায় নভোচারীরা পৃথিবী থেকে প্রায় ৪৩,০০০ মাইল দূরত্ব পর্যন্ত গিয়ে ওরিয়নের বিভিন্ন সিস্টেম পরীক্ষা করবেন। এরপর তারা চাঁদের দিকে যাত্রা শুরু করবেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই অভিযানে তারা পৃথিবী থেকে মানুষের সর্বাধিক দূরত্বে যাওয়ার রেকর্ড গড়বেন। ১৯৭০ সালে অ্যাপোলো ১৩ মিশনের সময় যে দূরত্বে পৌঁছানো হয়েছিল তাকেও ছাড়িয়ে যাবেন।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

বিষয়:
লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

পার্বণ

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles