Home খবর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে রাশিয়ার জ্যাকপট

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে রাশিয়ার জ্যাকপট

Authored By পার্বণ
91 views 2 minutes read
A+A-
Reset

বাংলাস্ফিয়ার: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিতে টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি করলেও এর সবচেয়ে বড় আর্থিক সুবিধাভোগী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে রাশিয়া। তেলের দাম হঠাৎ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় মস্কো প্রতিদিন প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত অতিরিক্ত বাজেট রাজস্ব অর্জন করছে।
স্ট্রেইট অব হরমুজ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে বড় ধাক্কা লাগে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে ভারত ও চীনের মতো শীর্ষ ক্রেতা দেশগুলো আবার রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করে। ফলে তেল রপ্তানি থেকে আদায়কৃত কর বাবদ মস্কো ইতিমধ্যে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন থেকে ১.৯ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত অপ্রত্যাশিত বাড়তি আয় ঘরে তুলেছে।

স্ট্রেইট অব হরমুজ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে বড় ধাক্কা লাগে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে ভারত ও চীনের মতো শীর্ষ ক্রেতা দেশগুলো আবার রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করে। ফলে তেল রপ্তানি থেকে আদায়কৃত কর বাবদ মস্কো ইতিমধ্যে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন থেকে ১.৯ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত অপ্রত্যাশিত বাড়তি আয় ঘরে তুলেছে।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমস শিল্পখাতের তথ্য ও বিশ্লেষকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে হিসাব করে দেখিয়েছে, মার্চ মাসের শেষ নাগাদ রাশিয়ান সরকারের মোট অতিরিক্ত আয় ৩.৩ বিলিয়ন থেকে ৪.৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। তবে এই প্রক্ষেপণ নির্ভর করছে একটি নির্দিষ্ট শর্তের ওপর — মার্চ মাসজুড়ে রাশিয়ার ‘ইউরালস’ গ্রেডের অপরিশোধিত তেলের গড় দাম প্রতি ব্যারেলে ৭০ থেকে ৮০ ডলারের মধ্যে থাকতে হবে। উল্লেখ্য, গত দুই মাসে এই তেলের গড় দাম ছিল মাত্র প্রায় ৫২ ডলার প্রতি ব্যারেল।

এই পরিস্থিতি মস্কোর জন্য এক নাটকীয় ভাগ্যপরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে রাশিয়ায় তেলের দাম কমে যাওয়া এবং বিশেষত ভারতের বাজারে তার বিক্রি ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ার কারণে চাপে ছিল। ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক চাপের ফলে ভারত তখন রাশিয়ান তেল কেনা অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছিল।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (IEA) বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও তেলজাত পণ্যের রপ্তানি ১১.৪ শতাংশ কমে দৈনিক ৬.৬ মিলিয়ন ব্যারেলে নেমে আসে, যা ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর সর্বনিম্ন স্তর।

তবে পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টাতে শুরু করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত কতদিন দীর্ঘায়িত হবে তার ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করছে। তবে বর্তমান উচ্চমূল্যের বাজার অন্তত স্বল্পমেয়াদে রাশিয়াকে বড় আর্থিক স্বস্তি দিচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

কিয়েভ স্কুল অব ইকোনমিক্সের জ্বালানি ও জলবায়ু গবেষণা বিভাগের প্রধান বোরিস দোদোনভ বলেন, এই বাড়তি আয় “রাশিয়াকে অন্তত এই ত্রৈমাসিকে তার বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে সাহায্য করবে এবং হয়তো কিছু অর্থ সঞ্চয় করতেও সক্ষম করবে।”

Description. online stores, news, magazine or review sites.

Edtior's Picks

Latest Articles