ছাত্র রাজনীতি থেকে ট্রাম্পের প্রতিনিধি: ডেলসি রদ্রিগেসের ২৫ বছরের উত্থান

যা জানা জরুরি
- একটি অভ্যুত্থানে ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উগো চাভেসকে সাময়িক ভাবে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল।
- লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্কবেকে পড়াশোনা করতে থাকা তরুণ কূটনীতিক রদ্রিগেস ঠিক করলেন, তাঁকে কিছু একটা করতে হবে।
- বিবিসির ‘নিউজ়নাইট’ অনুষ্ঠানের দুই সাংবাদিককে তিনি বোঝাতে শুরু করলেন, তাঁর সঙ্গে ভেনেজুয়েলার রাজধানীতে যেতে হবে।
বিস্তারিত প্রতিবেদন
সময়টা ২০০২ সালের এপ্রিল। ডেলসি রদ্রিগেস তখন একটি লক্ষ্য পূরণে মরিয়া।
একটি অভ্যুত্থানে ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উগো চাভেসকে সাময়িক ভাবে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল। তবে অভ্যুত্থান শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্কবেকে পড়াশোনা করতে থাকা তরুণ কূটনীতিক রদ্রিগেস ঠিক করলেন, তাঁকে কিছু একটা করতে হবে।
রদ্রিগেসের বয়স তখন ৩২। বিবিসির ‘নিউজ়নাইট’ অনুষ্ঠানের দুই সাংবাদিককে তিনি বোঝাতে শুরু করলেন, তাঁর সঙ্গে ভেনেজুয়েলার রাজধানীতে যেতে হবে। সেখানে কী ঘটেছে, তা বিশ্বকে জানাতে হবে।
সেই দুই সাংবাদিকের একজন, মেইরিয়ন জোন্স বলছেন, “চাভেস এবং অভ্যুত্থানের ঘটনাটা কোনও বড় সংবাদমাধ্যমের সাহায্যে সকলের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি মরিয়া ছিলেন।” স্থানীয় যোগাযোগ ও সংবাদ সংগ্রহের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দিয়ে রদ্রিগেসকে সঙ্গে নেন জোন্স। তাঁর সঙ্গেই বিমানে কারাকাসে যান।
তত দিনে সংক্ষিপ্ত বন্দিদশা কাটিয়ে চাভেস আবার প্রেসিডেন্টের পদে ফিরে এসেছেন। তাঁর সাক্ষাৎকার পাওয়ার চেষ্টায় দক্ষিণ আমেরিকার শহরটির নানা জায়গায় ঘুরছিলেন তিনজন। জোন্স তখন ঘুণাক্ষরেও ভাবেননি, তাঁদের এই ভেনেজুয়েলীয় সংবাদ-সহযোগী ও দোভাষী একদিন নিজেই দেশের প্রেসিডেন্ট হয়ে উঠতে পারেন।
জোন্স বলছেন, “তাঁকে দেখে তখনও ছাত্রীই মনে হত। সত্যিই মনে হত, তিনি এখনও পড়াশোনা করছেন। সেই সময়ে দাঁড়িয়ে কল্পনাই করা যেত না যে, তিনি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হবেন।”
অথচ এখন ৫৭ বছরের রদ্রিগেস ঠিক সেটাই হয়েছেন। যদিও এক অসাধারণ পরিস্থিতিতে—চাভেসের কর্তৃত্ববাদী উত্তরসূরি নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করার ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত যার সূচনা করেছিল।
এ বছরের ৩ জানুয়ারি মার্কিন বিশেষ বাহিনী যখন অজনপ্রিয় মাদুরোকে তুলে নিয়ে যায়, তখন অনেকেরই ধারণা ছিল, তাঁর জায়গায় আসবেন নোবেলজয়ী বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। ২০২৪ সালের নির্বাচনে মাচাদোর নেতৃত্বাধীন আন্দোলন মাদুরোকে পরাজিত করেছিল, কিন্তু সেই জয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
ট্রাম্প অবশ্য মাচাদোকে সরিয়ে রেখে সমর্থন জানালেন মাদুরোর উপরাষ্ট্রপতি রদ্রিগেসকে। নিজের ঊর্ধ্বতন নেতার পতনের দু’দিন পরেই ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী শাসক হয়ে গেলেন তিনি।
আট মাস পরেও রদ্রিগেস ক্ষমতায়। যদিও তাঁর দেশকে এখন অনেকেই আমেরিকার আশ্রিত রাষ্ট্র বলে মনে করেন। অদূর ভবিষ্যতেও তাঁর ক্ষমতায় থেকে যাওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল। নতুন করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ডাকার কোনও লক্ষণ প্রায় নেই।
“এখন আমাদের যে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রয়েছেন, তাঁকে নিয়ে আমরা খুবই খুশি,” অনির্বাচিত রদ্রিগেস সম্পর্কে বলেছিলেন ট্রাম্প। তার আগে তিনি এমন একটি তেলচুক্তির ঘোষণা করেন, যাকে তাঁর ভাষায় বলা হয়েছে “বিশ্বের ইতিহাসে বৃহত্তম তেলচুক্তি”।
কারাকাসে কর্মরত প্রাক্তন তুর্কি কূটনীতিক ইমদাত ওনেরের বিশ্বাস, এই চুক্তি রদ্রিগেসকে আরও শক্তিশালী করেছে। অন্যদিকে, গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের আশায় থাকা মানুষদের কাছে এটি বড় ধাক্কা।
তাঁর কথায়, “ডেলসিই জিতছেন। আমার মনে হচ্ছে, ডেলসি রদ্রিগেস অন্তত আরও চার-পাঁচ বছর প্রেসিডেন্টের পদে থাকবেন।”
দু’দশকেরও বেশি আগে জোন্স যাঁর সঙ্গে কারাকাসে উড়ে গিয়েছিলেন, সেই ডেলসি রদ্রিগেসের যোগাযোগ ছিল উঁচুমহলে। কিন্তু রাজনীতিতে তাঁর নিজের বিশেষ গুরুত্ব ছিল না। তাঁকে মূলত চেনা হত তাঁর বাবার পরিচয়ে।
হোর্হে আন্তোনিয়ো রদ্রিগেস ছিলেন একজন মার্ক্সবাদী কর্মী। ১৯৭৬ সালে পুলিশ হেফাজতে তাঁর মৃত্যু হয়। মেয়ের বয়স তখন সাত। এক মার্কিন ব্যবসায়ীকে অপহরণের ঘটনায় তাঁকে আটক করা হয়েছিল। বলা হয়ে থাকে, হেফাজতে নির্যাতনের ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এখন স্বাধীন অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন জোন্স। তিনি বলছেন, “চাভেসপন্থীরা সকলেই জানতেন, তাঁর বাবা কে ছিলেন। কিন্তু তিনি নিজে কে, সেটা তাঁরা বিশেষ জানতেন না।”
“তবে কারাকাসে আমাদের থাকার সময় তিনি এই সব মানুষের কাছে নিজের পরিচিতি তৈরি করে নিয়েছিলেন। আমার মনে হয়, সফরের শেষ দিকে তিনি ভাবতে শুরু করেছিলেন—‘হয়তো ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে আমার জন্য একটা দরজা খুলতে পারে।’”
এর কিছুদিন পরেই রদ্রিগেস ভেনেজুয়েলায় ফিরে আসেন। দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা পিডিভিএসএ এবং বিদেশ মন্ত্রকে কাজ পান। ২০০৬ সালের মধ্যে তিনি চাভেসের দফতরের প্রধান হয়ে ওঠেন। তবে মস্কো সফরের সময় রাশিয়ায় নিযুক্ত ভেনেজুয়েলার তৎকালীন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে চাভেসের বিরাগভাজন হন।
সেই বিরোধে রদ্রিগেসের উত্থান কিছুদিনের জন্য থমকে গিয়েছিল। কিন্তু ২০১৩ সালে চাভেসের মৃত্যুর পরে মাদুরো প্রেসিডেন্ট হয়ে তাঁকে আবার ফিরিয়ে আনেন। পরবর্তী বছরগুলিতে দেশ যখন ক্ষুধা ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের গভীরে তলিয়ে যাচ্ছিল, তখন রদ্রিগেসের উত্থান ঘটছিল দ্রুত।
তিনি বিদেশমন্ত্রী হন। তার পরে তেলমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং মাদুরোর উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে দেশের অর্থনীতির দায়িত্ব নিজের হাতে নেন। তাঁর ভাই হোর্হে রদ্রিগেস মনোরোগ চিকিৎসক থেকে রাজনীতিতে এসেছিলেন। তিনি নিজেকে জাতীয় আইনসভার প্রধান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
মাদুরোকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পরে এই ভাইবোন এবং ভয়ংকর বলে পরিচিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেইয়ো মিলে গড়ে তোলেন এক শক্তিশালী শাসক ত্রয়ী।
চাভেসের যোগাযোগমন্ত্রী ছিলেন আন্দ্রেস ইসাররা। মাদুরোর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির পরে তিনি নির্বাসনে চলে যান। তাঁর কথায়, “ডেলসি মানে শুধু ডেলসি নন। ডেলসি মানে ডেলসি এবং তাঁর ভাই। তাঁরা সব কাজ একসঙ্গে করেন। একে অন্যের অনুমোদন বা সম্মতি ছাড়া কিছুই করেন না।”
ব্রিটেনে বামপন্থী ছাত্রীজীবন থেকে ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছনোর এই অপ্রত্যাশিত পঁচিশ বছরের যাত্রাপথে যাঁরা রদ্রিগেসের সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁদের বর্ণনায় উঠে আসে সম্পূর্ণ ভিন্ন সব ছবি।
অনুরাগীদের চোখে তিনি বাস্তববাদী, রসিক, বুদ্ধিমতী এবং অক্লান্ত পরিশ্রমী। দীর্ঘদিনের অতি-মুদ্রাস্ফীতির কবল থেকে ভেনেজুয়েলাকে বের করে আনার পিছনে তাঁরা তাঁর অবদান দেখেন। তাঁদের বিশ্বাস, দেশের ক্ষয়িষ্ণু তেলশিল্প ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রতিশ্রুতি তিনি পূরণ করতে পারবেন।
২০০২ সালে বিবিসির হয়ে রদ্রিগেসের সঙ্গে কারাকাসে যাওয়া অন্য সাংবাদিকটি ছিলেন গ্রেগ প্যালাস্ট। তাঁর কথায়, “ডেলসির অধীনে ভেনেজুয়েলা দক্ষ বিশেষজ্ঞনির্ভর পরিচালনার সবচেয়ে ভাল সুযোগ পাবে। এই মুহূর্তে সেটাই দরকার। তিনি তেল উৎপাদন ও সরবরাহে গতি আনবেন।”
প্যালাস্টের বিশ্বাস, অদক্ষ মাদুরোর তুলনায় রদ্রিগেসের অধীনে ভেনেজুয়েলা “অনেক ভাল অবস্থায়” রয়েছে। তাঁর চোখে রদ্রিগেস এমন এক বুদ্ধিমতী কৌশলী, যিনি রাজনীতির খেলা খেলেন “চার মাত্রার দাবার বোর্ডে”।
সমালোচকেরা অবশ্য তাঁকে দেখেন আক্রমণাত্মক, ক্ষমতালোভী এক বহুরূপী হিসেবে, যাঁর রাজনৈতিক অবস্থান মুহূর্তে বদলে যেতে পারে। তাঁদের বক্তব্য, মাদুরোর শাসনের অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে ভেনেজুয়েলার দারিদ্র্য ও স্বৈরতন্ত্রের দিকে গড়িয়ে যাওয়ার দায় তাঁর নিজেরও।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিশিষ্ট বিরোধী রাজনীতিক রদ্রিগেস ভাইবোন সম্পর্কে বলছেন, “ওরা নিষ্ঠুর, ওরা উন্মাদ, আবার ওরা বুদ্ধিমানও। ওরা অশুভ প্রতিভা।”
ইসাররা তাঁর প্রাক্তন বান্ধবীকে “অত্যন্ত কূটকৌশলী” বলে বর্ণনা করেন। তাঁর দাবি, বিলাসিতার প্রতিও রদ্রিগেসের ঝোঁক রয়েছে।
অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন কূটনীতিক টম শ্যানন ১৯৯০-এর দশক থেকে ভেনেজুয়েলা নিয়ে কাজ করেছেন। একাধিক ভাষায় পারদর্শী রদ্রিগেসকে তিনি বর্ণনা করেন “অত্যন্ত বুদ্ধিমতী, নিজের বক্তব্য প্রকাশে অত্যন্ত দক্ষ, খুবই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ” এবং গভীর ভাবে মতাদর্শে বিশ্বাসী একজন মানুষ হিসেবে।
বারাক ওবামার দ্বিতীয় মেয়াদে মাদুরোর সঙ্গে দেখা করতে কারাকাসে গিয়েছিলেন শ্যানন। তাঁর মনে আছে, সেখানে পৌঁছনোর পরে তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী রদ্রিগেস তাঁকে নিজের সঙ্গে আলোচনায় বসিয়ে দিয়েছিলেন।
নানা বিষয়ে কথা হয়েছিল তাঁদের।
শ্যানন বলছেন, “কিন্তু একটি মুহূর্ত আমার খুব স্পষ্ট মনে আছে। আমি মানবাধিকারের প্রসঙ্গ তুলেছিলাম। বিশেষ করে কয়েকজন বন্দির মুক্তি দেখতে আমরা যে আগ্রহী, সেই কথা বলেছিলাম।”
“তিনি আমার দিকে ফিরলেন। তাঁর চোখেমুখে প্রায় তাচ্ছিল্যের ভাব। আমাকে নিয়ে নয়, আমি যে প্রসঙ্গটি তুলেছিলাম, সেটিকে নিয়ে। বললেন, ‘আপনি হয়তো আমার জীবনের কথা জানেন না। আমার বাবা ভেনেজুয়েলার একটি সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনের সদস্য ছিলেন। আমি যখন ছোট, তখন তাঁকে গ্রেফতার করা হয়, জেরার সময় নির্যাতন করা হয় এবং ভেনেজুয়েলার নিরাপত্তা বাহিনী তাঁকে হত্যা করে।’”
“তার পরে তিনি বললেন, ‘আমার বাবাকে জেরা এবং হত্যা করা হয়েছিল এমন একটা সময়ে, যখন আপনাদের দৃষ্টিতে ভেনেজুয়েলা ছিল আইনের শাসনে পরিচালিত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। কিন্তু আমি আপনাকে বলতে পারি, নিরাপত্তা বাহিনী সেই আইনের শাসন মেনে চলত না।’”
শ্যানন আরও বলছেন, “কথাগুলো গভীর ছাপ ফেলেছিল। আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছিল, তিনি তাঁর বাবাকে এক ধরনের বিপ্লবী ধ্রুবতারা হিসেবে দেখেন—এক শহিদ, যাঁকে সামনে রেখে নিজের পথ ঠিক করেন। আমার বিশ্বাস, এখনও তা-ই।”
শ্যাননের ধারণা, ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন অংশীদারিতে রদ্রিগেসের উদ্দেশ্য নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষা করা। সেই সঙ্গে নিশ্চিত করা, “ক্ষমতা পুনর্দখলে মরিয়া রক্ষণশীল, অভিজাততন্ত্রী গণতান্ত্রিক বিরোধীরা যেন আবার ক্ষমতায় ফিরতে না পারে।”
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সামনে ভেনেজুয়েলায় তাঁর এই অপ্রত্যাশিত সহযোগীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন ট্রাম্প।
“ডেলসি খুব, খুব ভাল কাজ করছেন। তাঁকে অত্যন্ত সম্মান করা হয়,” বলেছিলেন তিনি।
ট্রাম্পের দাবি, ভেনেজুয়েলা সবে একটি “অত্যন্ত জঘন্য” শাসন থেকে বেরিয়ে এসেছে। দেশটি এখনও নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নয়।
তিনি বলেন, “দেখুন, সবে তো শুরু হয়েছে। আমরা ওদের স্বৈরতন্ত্র থেকে বের করে এনেছি। আর সরকারের সঙ্গে আমাদের দারুণ সম্পর্ক চলছে।”
এমন মন্তব্য রদ্রিগেসের কানে নিঃসন্দেহে মধুর সঙ্গীতের মতোই শোনাবে।
ওনের বলছেন, “ডেলসি টিকে থাকতে চান। আর তিনি জানেন, ট্রাম্প প্রশাসনকে যথেষ্ট কিছু দিতে পারলে, ট্রাম্প প্রশাসনও তাঁকে ক্ষমতায় থাকতে দেবে।
সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট
প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।



