প্রতিরোধের দেওয়ালে ফাটল: ‘গণতন্ত্রের শেষ সুযোগ’ও কি নষ্ট করলেন ফ্রিডরিখ মের্ৎস?

যা জানা জরুরি
- চরম দক্ষিণপন্থাকে ঠেকানোর প্রাচীর যখন ভেঙে পড়ছে, তখন অনেকের আশঙ্কা—জার্মানির নেতৃত্ব দেওয়ার উপযুক্ত মানুষ নন বর্তমান চ্যান্সেলর।
- সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করার মতো ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড।
- তিন দশক আগে জার্মানির আনন্দমুখর পুনরেকত্রীকরণের প্রতি তিক্ত প্রত্যাখ্যান।
বিস্তারিত প্রতিবেদন
চরম দক্ষিণপন্থাকে ঠেকানোর প্রাচীর যখন ভেঙে পড়ছে, তখন অনেকের আশঙ্কা—জার্মানির নেতৃত্ব দেওয়ার উপযুক্ত মানুষ নন বর্তমান চ্যান্সেলর।
এক মহাবিপর্যয়। রিখটার মাত্রায় ৯-এর ভূমিকম্প। সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করার মতো ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। তিন দশক আগে জার্মানির আনন্দমুখর পুনরেকত্রীকরণের প্রতি তিক্ত প্রত্যাখ্যান। আর যুদ্ধোত্তর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সামনে এক বিপদ।
সাবেক কমিউনিস্ট পূর্ব জার্মানির রাজ্য স্যাক্সনি-আনহাল্টে গত সপ্তাহান্তে চরম দক্ষিণপন্থী দল আলটারনাটিভ ফ্যুর ডয়েচল্যান্ড বা এএফডি-র নির্বাচনী জয়ের অভিঘাত বোঝাতে গিয়ে এমনই সব ভাষা ব্যবহার করেছেন জার্মান ভাষ্যকারেরা। তাঁদের কথায় ফুটে উঠেছে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক মহলের সর্বনাশের আশঙ্কা, আতঙ্ক এবং অসহায়তা।
প্রায় ৪৪ শতাংশ ভোট পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে মাত্র তিনটি আসন দূরে থেমেছে এএফডি। সংবাদমাধ্যমকে কাজে লাগাতে দক্ষ দলের প্রধান প্রার্থী উলরিখ জিগমুন্ড এখন অন্য দলগুলির কাছ থেকে সরকার গড়ার মতো সমর্থন জোগাড় করতে মরিয়া। সফল হলে নাৎসি আমলের পর জার্মানিতে প্রথম চরম দক্ষিণপন্থী রাজ্য সরকার গঠিত হবে।
তিনি সফল হবেন কি না, তা এখনও কেউ বলতে পারছেন না। এই অনিশ্চয়তা ভিতর থেকে ক্ষয় ধরাচ্ছে ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তির। সেই সঙ্গে দোলাচলে ফ্রিডরিখ মের্ৎসের মধ্য-দক্ষিণপন্থী সরকারের ভবিষ্যৎ। জার্মানিতে চরমপন্থীদের ক্ষমতা দখল ঠেকাতে এই সরকারকেই একসময় বলা হয়েছিল ‘গণতন্ত্রের শেষ সুযোগ’।
স্যাক্সনি-আনহাল্টের ফল রক্ষণশীল চ্যান্সেলরকে কোণঠাসা করে দিয়েছে। চলতি মাসের শেষের দিকে আরও দু’টি রাজ্যের নির্বাচনে তাঁর দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন বা সিডিইউ আরও ধাক্কা খেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সোমবার মের্ৎস বলেছেন, ‘‘বহু বছরের মধ্যে—কয়েক দশকের মধ্যে—সিডিইউ-র এটাই সবচেয়ে খারাপ পরাজয়। কিছু একটা বদলে গিয়েছে। শুধু স্যাক্সনি-আনহাল্টে নয়, গোটা জার্মানিতে।’’
২০২৯ সালে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা। তত দিন পর্যন্ত তিনি রাজনৈতিক ভাবে টিকে থাকুন বা না-ই থাকুন, তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে জার্মানি এবং তার ইউরোপীয় মিত্রদের উপর। এই দেশগুলিও গণতন্ত্রবিরোধী শক্তিকে প্রতিহত করার চেষ্টা করছে। আগামী বছর ফ্রান্স, স্পেন, ইতালি এবং পোল্যান্ড-সহ কয়েকটি দেশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হওয়ার কথা।
মের্ৎসের বহু সমালোচকের বক্তব্য, এমন সন্ধিক্ষণে নেতৃত্ব দেওয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি নন ব্ল্যাকরকের এই ৭০ বছর বয়সি প্রাক্তন কর্তা। তাঁদের চোখে তিনি পরিস্থিতি সামলাতে অদক্ষ, মানুষের অনুভূতি বুঝতে দুর্বল এবং জনসমক্ষে বক্তব্য রাখার ক্ষেত্রে অসংগতিপূর্ণ এক নেতা।
ফ্রাঙ্কফুর্টের গ্যেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী টোমাস বিব্রিখারের মতে, ক্ষমতায় আসার মাত্র ষোলো মাসের মধ্যেই বারবার মনে হয়েছে, নেতৃত্বের একটি মৌলিক কাজই মের্ৎস করতে পারছেন না। আজ কিছু তেতো ওষুধ মেনে নিলে আগামী দিনে আরও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ পাওয়া যেতে পারে—ভোটারদের সে কথা বোঝাতে ব্যর্থ হচ্ছেন তিনি।
বাধ্যতামূলক পেনশন ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় প্রস্তাবিত কাটছাঁটের প্রসঙ্গে বিব্রিখার বলেন, ‘‘এই মুহূর্তে সাধারণ ধারণা হল, তিনি বহু সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এবং সে জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে, তা মানুষের কাছে ব্যাখ্যা করতে পারছেন না। ফলে জনসমর্থনও আদায় করতে পারছেন না।’’
সিডিইউ-র ভিতরে মের্ৎসের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী, প্রাক্তন চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মের্কেল, অভিবাসন এবং অভিবাসীদের সমাজের মূলস্রোতে মিশে যাওয়ার প্রশ্নে তাঁর কঠোর ভাষার প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছেন। তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে মের্কেল জানিয়েছেন, এই বিপর্যয়ে তিনি কোনও আনন্দ পাচ্ছেন না।
টানা ষোলো বছর ক্ষমতায় থাকার পর ২০২১ সালে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানো মের্কেল বলেছেন, ‘‘জার্মান যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এটি একটি মোড়—প্রকৃত অর্থেই একটি সন্ধিক্ষণ। সিডিইউ-র সদস্য হিসেবে এতে আমার হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে।’’
মঙ্গলবার ডিজিটাল বিষয়ক একটি সম্মেলনে তিনি মের্ৎসকে তাঁর বক্তব্যের ধরন নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন। কারণ, বদলে যাওয়া রাজনৈতিক পরিবেশে তথ্যের চেয়ে আবেগ বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
৭২ বছর বয়সি মের্কেল উল্লেখ করেন, স্যাক্সনি-আনহাল্টের প্রচারে সিডিইউ পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেছিল, ছোট এবং তুলনামূলক ভাবে দরিদ্র এই রাজ্যে বেকারত্ব কমেছে, পরিবারগুলির সম্পদ বেড়েছে।
‘‘আর তখন উনি [জিগমুন্ড] বলছেন, ‘তা হতে পারে, কিন্তু আমাদের তো তেমন মনে হচ্ছে না।’ ’’
মের্কেল ক্ষমতায় থাকাকালীন, ২০১৩ সালে এএফডি-র জন্ম। গোড়ায় এটি ছিল ইউরোপীয় ঐক্যের ব্যাপারে সংশয়ী একটি দল, যারা ঋণের ভারে জর্জরিত দেশগুলিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার বিরোধিতা করত। ২০১৫–১৬ সালের শরণার্থী ঢলের সময় দলটি ক্রমশ আরও উগ্র হয়ে ওঠে। যুদ্ধ ও দুর্দশা থেকে পালিয়ে আসা দশ লক্ষের বেশি আশ্রয়প্রার্থীর জন্য তখন সীমান্ত খোলা রেখেছিলেন মের্কেল।
ওলাফ শলৎসের নেতৃত্বাধীন আগের সরকার ভেঙে পড়ার পর গত বছর ক্ষমতায় এসে মের্ৎস বলেছিলেন, তিনি দেশকে আবার সঠিক পথে ফেরাবেন। তাঁর প্রতিশ্রুতি ছিল অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ফিরিয়ে আনা, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা পুনরুদ্ধার এবং ধুঁকতে থাকা সমাজকল্যাণ ব্যবস্থার জরুরি মেরামতি।
চরম দক্ষিণপন্থাকে মোকাবিলা করা ছিল তাঁর অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। এ ক্ষেত্রে তাঁর দাওয়াই ছিল দক্ষ প্রশাসন এবং জার্মানদের সবচেয়ে জরুরি সমস্যাগুলির সমাধান।
এএফডি-র প্রধান রাজনৈতিক অস্ত্রটি কেড়ে নিতে মের্কেলের খোলা সীমান্তের নীতি প্রত্যাখ্যান করারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মের্ৎস। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের ঠিক আগে অভিবাসন বিষয়ে একটি কঠোর খসড়া আইনের পক্ষে চরম দক্ষিণপন্থী দলের সমর্থন গ্রহণ করে তিনি প্রবল বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন। পরে প্রতিবাদের মুখে পিছু হটেন।
মের্ৎস ক্ষমতায় আসার পর অনিয়মিত পথে অভিবাসীদের আগমন অনেক কমেছে। কিন্তু এএফডি সফল ভাবে তার প্রচারের বিষয়বস্তু বদলে ফেলেছে। শিল্পের ক্ষয়, আঞ্চলিক পরিচয়, জীবনযাত্রার ব্যয় সামলানোর ক্ষমতা এবং অপরাধ নিয়ে উদ্বেগকে সামনে এনে পূর্ব জার্মানির মূল ঘাঁটির অনেক বাইরেও প্রভাব বাড়িয়েছে দলটি।
ইউরোপের সমগোত্রীয় দলগুলির তুলনায় এএফডি-কে সাধারণ ভাবে বেশি উগ্র বলে মনে করা হয়। জার্মানির মূলধারার দলগুলি তাকে বর্জন করার যে কৌশল নিয়েছিল, তার নাম ‘ফায়ারওয়াল’—অর্থাৎ চরম দক্ষিণপন্থার সঙ্গে রাজনৈতিক সহযোগিতা ঠেকানোর প্রতিরোধপ্রাচীর। এর ফলে এএফডি কার্যত স্থায়ী বিরোধী দলের ভূমিকায় আটকে ছিল। কিন্তু এখন অনেকেই মনে করছেন, সেই নীতি ব্যর্থ হয়েছে। বরং এর সুযোগ নিয়ে এএফডি বাইরে বসে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধীরগতি নিয়ে সরকারকে ক্রমাগত আক্রমণ করতে পেরেছে।
বিব্রিখারের বক্তব্য, মের্ৎসের যত দুর্বলতাই থাকুক, তাঁকে সরিয়ে দিলেই জার্মানির নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির সামনে জমে থাকা পাহাড়প্রমাণ সমস্যার কোনও জাদুকরি সমাধান হবে না।
রাশিয়ার হুমকির পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেছেন জরাজীর্ণ পরিকাঠামো, জনসংখ্যার বয়সগত পরিবর্তনের ফলে সমাজকল্যাণ ব্যবস্থায় বাড়তে থাকা চাপ, একদা প্রবল শক্তিশালী গাড়িশিল্পের মতো ক্ষেত্রে চিনের প্রতিযোগিতা এবং সরবরাহব্যবস্থা ও জ্বালানি আমদানির উপর ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবের কথা।
সরকারি বেতারকে বিব্রিখার বলেন, ‘‘কথা আরও ভাল বলতে পারেন, এমন কাউকে পেলেই এই সমস্যাগুলির কোনওটাই উধাও হয়ে যাবে না।’’
মের্ৎসের মধ্য-দক্ষিণপন্থী সিডিইউ–সিএসইউ জোটে রক্ষণশীল এবং মধ্যপন্থীদের মধ্যে বিভাজন রয়েছে। তবু সঙ্কটের সময়ে অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য এই জোট পরিচিত—অন্তত বড়সড় পরিবর্তন আরও ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে, সেই আশঙ্কায়।
পরিস্থিতি এতটাই দুর্বিষহ বলে মনে করা হচ্ছে যে তা কার্যত রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি করেছে। জনপ্রিয় নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়া রাজ্যের প্রধান হেন্ড্রিক ভুস্ট কিংবা বাভারিয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষী নেতা মার্কুস জ্যোডার—কেউই এই মুহূর্তে বিষের পেয়ালা হাতে নিতে আগ্রহী নন।
‘ডি সাইট’ সংবাদপত্রের প্রবীণ রাজনৈতিক সাংবাদিক বের্ন্ড উলরিখ বলেন, ‘‘মের্ৎস এখন এমন এক জায়গায় পৌঁছেছেন, যেখানে যে সঙ্কটকে তিনি নিজেই ক্রমাগত আরও তীব্র করে তুলছেন, সেই সঙ্কটই তাঁকে টিকিয়ে রাখছে।’’
‘‘সিডিইউ এবং সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে তাদের গোটা জোট সরকারের অবস্থা এতটাই খারাপ যে, যত দূর বোঝা যাচ্ছে, কেউ তাঁর জায়গায় বসতে চাইছেন না।’’
৫১ বছর বয়সি ভুস্ট জার্মানির সবচেয়ে জনবহুল রাজ্যে গ্রিন পার্টির সঙ্গে জোট সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আগামী এপ্রিলে তাঁকে ফের নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হবে। তিনি জিতলে তাঁর জন্য মের্ৎসকে সরে দাঁড়ানোর দাবি আরও জোরালো হতে পারে।
জোটের রক্ষণশীল অংশের প্রতিনিধি জ্যোডারও মের্ৎসের মতো মনে করেন, হারানো সমর্থন ফেরাতে অভিবাসনের প্রশ্নে এএফডি-র কঠোর ভাষার প্রতিধ্বনি তুলতে হবে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই এই কৌশলের সমালোচনা করে আসছেন। তাঁদের মতে, এতে উল্টো ফল হয়।
অথচ ভোটারেরা যে স্থিতাবস্থাকে এত স্পষ্ট ভাবে প্রত্যাখ্যান করছেন, দলের ভিতরের বিদ্রোহ ঠেকাতে সেই ব্যবস্থাকেই আঁকড়ে ধরে থাকার বিপদও স্পষ্ট।
২০ সেপ্টেম্বর বার্লিন এবং মেকলেনবুর্গ–পশ্চিম পোমেরানিয়ার আঞ্চলিক নির্বাচন থেকে কতটা খারাপ খবর আসে, তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করবে। দুই রাজ্যেই জনমত সমীক্ষায় এএফডি ভাল অবস্থানে রয়েছে। স্যাক্সনি-আনহাল্টের জয়ের পর দলটি স্পষ্টতই বাড়তি গতি পেয়েছে। এতে বিশেষ করে সিডিইউ-র উপর চাপ বাড়ছে।
চলতি সপ্তাহে পার্লামেন্টে এএফডি-র সঙ্গে তীব্র বিতর্কে জার্মান গণতন্ত্রের সামনে দলটির বিপদের কথা তুলে ধরেন মের্ৎস। একই সঙ্গে বর্তমান দুরবস্থা থেকে দেশকে—এবং নিজেকে—কী ভাবে বের করে আনা যায়, তা নিয়েও ভাবনাচিন্তার কথা বলেন।
একটি ধর্মতত্ত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানের কাছ থেকে পাওয়া চিঠির অংশ উদ্ধৃত করেন তিনি। সেই চিঠিতে বলা হয়েছিল, জার্মানির সামনে এখনও বহু সুযোগ রয়েছে। তাঁকে হতাশার কাছে আত্মসমর্পণ না করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল।
মের্ৎস জানান, তিনি সেই পরামর্শ মনে রাখতে চান। চ্যান্সেলর পদে থেকে এগোতে চান নতুন পথনির্দেশ মেনে: ‘‘ভুল স্বীকার করুন, ক্ষমা করুন, আবার উঠে দাঁড়ান, ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুন।’’
সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট
প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।



