সংস্কৃতি ও বিনোদন

পর্দায় মহাত্মা গান্ধী মনোজ বাজপেয়ী, প্রকাশ্যে এল প্রথম ঝলক

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • বাংলাস্ফিয়ার: অপরাধজগতের দোর্দণ্ডপ্রতাপ ভিকু মাত্রে থেকে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্মী ভোঁসলে—ভারতীয় চলচ্চিত্রে বিচিত্র চরিত্রে নিজেকে ভেঙেছেন মনোজ বাজপেয়ী।
  • এ বার তাঁর অভিনয়জীবনের সম্ভবত সবচেয়ে কঠিন চরিত্র মহাত্মা গান্ধী।
  • সুধীর মিশ্র পরিচালিত নতুন ছবিতে জাতির জনকের ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

বাংলাস্ফিয়ার: অপরাধজগতের দোর্দণ্ডপ্রতাপ ভিকু মাত্রে থেকে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্মী ভোঁসলে—ভারতীয় চলচ্চিত্রে বিচিত্র চরিত্রে নিজেকে ভেঙেছেন মনোজ বাজপেয়ী। এ বার তাঁর অভিনয়জীবনের সম্ভবত সবচেয়ে কঠিন চরিত্র মহাত্মা গান্ধী। সুধীর মিশ্র পরিচালিত নতুন ছবিতে জাতির জনকের ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে। প্রকাশ্যে এসেছে অভিনেতার সেই বহুল প্রতীক্ষিত প্রথম ঝলক।

ছবিতে মনোজকে দেখা যাচ্ছে গান্ধীর পরিচিত বেশে—মুণ্ডিত মস্তক, গোল চশমা এবং সাদা ধুতি-চাদরে। তবে নির্মাতাদের দাবি, কেবল বাহ্যিক সাদৃশ্য তৈরিই এই ছবির লক্ষ্য নয়। গান্ধীর চিন্তা, সংশয়, একাকিত্ব এবং ইতিহাসের এক সংকটময় সময়ে তাঁর নেওয়া সিদ্ধান্তগুলি পর্দায় তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।

জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক সুধীর মিশ্রের এই ছবির আপাতত কাজের নাম ‘গান্ধী অ্যান্ড মাই মাদার’। প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন পরিচালক-প্রযোজক অনুভব সিন্‌হা এবং নরেন্দ্র হীরাবত। অনুভবের প্রতিষ্ঠান বেনারস মিডিয়া ওয়ার্কস ছবিটি তৈরি করছে। অভিনয়ে মনোজ বাজপেয়ীর পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন সৌরভ শুক্ল এবং দিব্যা দত্ত।

ছবির কাহিনি গান্ধীর গোটা জীবনকে অনুসরণ করবে না। স্বাধীনতার কাছাকাছি কোনও এক সময়ে তাঁর জীবনের অপেক্ষাকৃত কম আলোচিত অথচ তাৎপর্যপূর্ণ ২১টি দিনকে কেন্দ্র করে এগোবে গল্প। সেই পর্বে গান্ধীর সামনে যে রাজনৈতিক ও নৈতিক প্রশ্নগুলি এসে দাঁড়িয়েছিল, তাঁর সিদ্ধান্ত এবং তার সুদূরপ্রসারী প্রভাবই হবে ছবির মূল উপজীব্য। নির্মাতাদের মতে, ইতিহাসের সেই অল্প পরিচিত অধ্যায়টির সঙ্গে সুধীর মিশ্রের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক যোগও রয়েছে।

ছবির শুটিং শুরু হয়েছে লখনউয়ে। প্রথম দফায় শহরের বিভিন্ন জায়গায় বহির্দৃশ্যের কাজ চলছে। পরে কলকাতাতেও ছবির বড় অংশের শুটিং হওয়ার কথা। স্বাধীনতার সন্ধিক্ষণে সাম্প্রদায়িক অশান্তি ঠেকাতে গান্ধীর কলকাতা-অধ্যায় ঐতিহাসিক ভাবে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তবে ছবির ২১ দিনের ঘটনাপ্রবাহ ঠিক কোন সময়কে ঘিরে, নির্মাতারা এখনও বিস্তারিত জানাননি।

মনোজ বাজপেয়ী ও সৌরভ শুক্লর পুনর্মিলনও ছবিটির অন্যতম আকর্ষণ। ১৯৯৮ সালের ‘সত্য’ ছবিতে তাঁদের অভিনয় দর্শকের মনে স্থায়ী ছাপ ফেলেছিল। বহু বছর পরে ইতিহাসনির্ভর এই গুরুত্বপূর্ণ ছবিতে আবার মুখোমুখি হচ্ছেন তাঁরা।

‘হাজারোঁ খোয়াইশেঁ অ্যায়সি’, ‘ধারাবী’, ‘ইস রাত কি সুবহ নহি’-র মতো রাজনৈতিক ও সমাজমনস্ক ছবির পরিচালক সুধীর মিশ্রের সঙ্গে অনুভব সিন্‌হার এই সহযোগিতা স্বাভাবিক ভাবেই প্রত্যাশা বাড়িয়েছে। ছবিটির চূড়ান্ত নাম এবং মুক্তির দিন এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে মনোজের গান্ধী-রূপ প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে আলোচনা—পরিচিত প্রতিকৃতির আড়াল থেকে নির্মাতারা কোন মানুষটিকে আবিষ্কার করেন, আপাতত সে দিকেই তাকিয়ে দর্শক।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles