খবর

শোকমঞ্চে ট্রাম্পকে ঘিরে বিতর্ক

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • হাইলাইটস প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেইর শেষকৃত্যে মার্কিনবিরোধী স্লোগানে মুখর ছিল তেহরান।
  • শোকানুষ্ঠানে কবি মোহাম্মদ রাসুলির মন্তব্য ঘিরে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত।
  • ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে তাঁর ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

হাইলাইটস

  • প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেইর শেষকৃত্যে মার্কিনবিরোধী স্লোগানে মুখর ছিল তেহরান।
  • শোকানুষ্ঠানে কবি মোহাম্মদ রাসুলির মন্তব্য ঘিরে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত।
  • ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে তাঁর ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।
  • ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ইরান বা যুক্তরাষ্ট্র—কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

প্রয়াত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেইর শেষকৃত্য ঘিরে ফের তীব্র চর্চায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক। তেহরানে সপ্তাহজুড়ে চলা শোকানুষ্ঠানের মধ্যে রবিবার হাজার হাজার মানুষ প্রার্থনাসভায় যোগ দেন। গোটা অনুষ্ঠানজুড়েই বারবার ধ্বনিত হয় ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ এবং ‘ইজরায়েলের মৃত্যু হোক’ স্লোগান।

এই শোকসভাতেই বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে আসেন ইরানি কবি মোহাম্মদ রাসুলি। প্রার্থনা শুরুর আগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে ইঙ্গিতপূর্ণ ও উসকানিমূলক মন্তব্য করেন। ট্রাম্পের নাম সরাসরি উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, “পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষটি এখনও বেঁচে আছে কেন? পৃথিবী আর তার জন্য ভালো জায়গা নয়।” তাঁর এই মন্তব্যকে অনেকেই ট্রাম্পকে হত্যার আহ্বান হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।

বক্তব্যটি প্রকাশ্যে আসতেই যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এমন মন্তব্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনকে আরও উসকে দিতে পারে। কূটনৈতিক সম্পর্ক যখন আগেই উত্তেজনার আবহে রয়েছে, তখন এ ধরনের বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

শোকানুষ্ঠানে উপস্থিত জনতার বড় অংশই যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলবিরোধী স্লোগান দেন। ইরানের সরকারি বয়ান অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় আলি খামেনেই নিহত হন। সেই সংঘাতের জেরেই তাঁর শেষকৃত্য বিলম্বিত হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে রাসুলির বক্তব্য নিয়ে এখনও পর্যন্ত ইরান সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও রাষ্ট্রনেতাকে লক্ষ্য করে এ ধরনের আহ্বান বা ইঙ্গিত আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এমন মন্তব্য রাজনৈতিক বিতর্কের পাশাপাশি নিরাপত্তা ও দুই দেশের সম্পর্কেও নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles