ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় ‘যৌক্তিক অসংগতি’ চিহ্নিত করার পদ্ধতি আইনসম্মত কি না, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি—স্পষ্ট করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। পশ্চিমবঙ্গে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে এই পদ্ধতি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তার অর্থ এই নয় যে, সর্বোচ্চ আদালত এর বৈধতায় চূড়ান্ত সিলমোহর দিয়েছে।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনাকে নিয়ে গঠিত তিন সদস্যের বেঞ্চ দিল্লির খসড়া ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া ব্যক্তিদের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে একটি প্রস্তাব দিয়েছে। যাঁরা গণনা ফর্ম পূরণ করতে পারেননি, তাঁদের সেই ফর্ম জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে বলেছে আদালত। গণনা ফর্ম জমা দেওয়ার সময়সীমা ছিল ১৭ আগস্ট।
বেঞ্চের বক্তব্য, সরকারি কাজ, ব্যক্তিগত প্রয়োজন বা অন্য কোনও কারণে সাময়িকভাবে দিল্লির বাইরে থাকায় যাঁরা ফর্ম জমা দিতে পারেননি, তাঁদের এখনও গণনা ফর্ম জমা দিতে দেওয়া উচিত। আর যাঁরা দিল্লির মধ্যেই এক ঠিকানা থেকে অন্য ঠিকানায় বাসস্থান বদলেছেন, তাঁদের ৮ নম্বর ফর্ম জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আদালতের প্রস্তাব খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি, দাবি ও আপত্তি জানানোর ফর্ম জমা দেওয়ার ৩০ অক্টোবরের সময়সীমা বাড়ানো হবে বলেও মৌখিক আশ্বাস দিয়েছে কমিশন।
২০২৫ সালের ২৪ জুন বিহারে এসআইআর শুরু করার নির্দেশে ‘যৌক্তিক অসংগতি’র উল্লেখ করেনি কমিশন। ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর এবং ২০২৬ সালের ১৪ মে অন্য রাজ্যগুলিতে এই প্রক্রিয়া সম্প্রসারণের নির্দেশেও তার উল্লেখ ছিল না। কিন্তু এসআইআর চলাকালীন ভোটার তালিকা এবং ভোটারদের জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতে অসংগতি চিহ্নিত করতে একটি কেন্দ্রীয় সফটওয়্যার ব্যবহার শুরু করে কমিশন।
পশ্চিমবঙ্গ-সহ ন’টি রাজ্য এবং তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআরের দ্বিতীয় পর্যায়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের দপ্তরের নথি থেকে জানা যায়, এই অসংগতির ছ’টি শ্রেণি ছিল। তার মধ্যে ছিল ছয় বা তার বেশি ভাইবোন থাকা, নথিতে নিজের বা বাবা-মায়ের নামের বানানে অমিল এবং ভোটারের সঙ্গে বাবা বা মায়ের বয়সের ব্যবধান ১৫ বছরের কম কিংবা ৫০ বছরের বেশি হওয়া। চলতি বছরের মে মাসে শুরু হওয়া তৃতীয় পর্যায়ে অসংগতির শ্রেণিসংখ্যা বাড়িয়ে ১১ করা হয়।
সমাজকর্মী অঞ্জলি ভরদ্বাজ এবং অমৃতা জোহরির আবেদনের শুনানিতে কমিশনের পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী ডি এস নাইডু বিহারের এসআইআরের প্রসঙ্গ তোলেন। তখন বিচারপতি বাগচী বলেন, ‘‘বিহারের এসআইআর মামলায় আমরা বলেছিলাম, নির্বাচন কমিশনের কিছু অবশিষ্ট ক্ষমতা রয়েছে, বিশেষত বিশেষ নিবিড় সংশোধন শুরু করার ক্ষেত্রে। তাই বলে আপনারা ৬ নম্বর ফর্মে হাত দিতে পারেন না। ৬, ৭ ও ৮ নম্বর ফর্মের নির্ধারিত কাঠামো অপরিবর্তনীয়। সেগুলিতে কোনও পরিবর্তন করতে পারেন না। তবে হ্যাঁ, ওই ফর্মগুলির সঙ্গে অতিরিক্ত কিছু সংযোজন করতে পারেন।’’
দিল্লির পরিস্থিতিতে কমিশন কী করতে পারত, তা-ও ব্যাখ্যা করেন বিচারপতি বাগচী। তাঁর বক্তব্য, ‘‘কোনও ফর্ম চাওয়ার পরিবর্তে কমিশন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে একটি ঘোষণা চাইতে পারত—কেন তিনি গণনা ফর্ম জমা দেওয়ার আহ্বানে সাড়া দেননি।’’
বিচারপতি বাগচী বলেন, বিহারের রায় ‘‘এ ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক নজির হতে পারে না। কারণ বিহারে নির্বাচন কমিশন ‘যৌক্তিক অসংগতি’ নামে কোনও শ্রেণি প্রয়োগ করেনি। পশ্চিমবঙ্গে আমরা অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে আপনাদের অনুমতি দিয়েছিলাম। ‘যৌক্তিক অসংগতি’র বৈধতা নিয়ে আমরা এখনও চূড়ান্ত বিচার করিনি।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা আর কোনও মন্তব্য করতে চাই না, কারণ এই বিষয়গুলি নিয়ে এত অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য করা হয়। আমরা এখানে যে কথাগুলি বলছি, সেগুলি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। প্রতিটি সংবেদনশীল বিষয়ে সমস্যা তৈরি হয়, যখন আদালতের শুনানির বক্তব্য প্রসঙ্গ থেকে বিচ্ছিন্ন করে প্রকাশ করার ফলে গোটা আলোচনা ও যুক্তিতর্কের পরিসর অযথা উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।’’
২০০৩ সালের এসআইআরের পরে তৈরি ভোটার তালিকায় কারও নাম থাকলে, ‘যৌক্তিক অসংগতি’র যুক্তিতে তাঁর অন্তর্ভুক্তি আবার কীভাবে যাচাইয়ের মুখে ফেলা যায়, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি বাগচী।
তিনি বলেন, ‘‘আপনাদের পরিকল্পনার ভিত্তি হল, ২০০৩ সালের বিশেষ নিবিড় সংশোধনে সব কিছু খতিয়ে দেখা হয়েছিল। ২০০৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে সংক্ষিপ্ত সংশোধন হয়েছে, কিন্তু এসআইআর হয়নি। তা হলে ২০০৩ সালের তালিকায় যাঁর নাম রয়েছে, এই এসআইআরে ‘যৌক্তিক অসংগতি’র কারণে তাঁর অন্তর্ভুক্তি আবার কীভাবে প্রশ্নের মুখে তোলা যায়?’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা যা বলছি, তা এমন একটি প্রশ্ন, যার নিষ্পত্তির প্রসঙ্গ বিহারের রায়ে কখনও আসেইনি। অথচ আমরা দেখছি, সবাই বিহারের রায় দেখিয়ে বলছে, সব কিছুরই সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে। আপনারা যুক্তি দিচ্ছেন, আপনাদের কাজ বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, অতএব সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে।’’
নাইডু জানান, বিহারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, তার পরে এসআইআর এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন রাজ্যে আলাদা আলাদা সমস্যা দেখা দিয়েছে। কমিশন সেগুলির মোকাবিলায় বিভিন্ন ব্যবস্থা তৈরি করেছে।
আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ মঙ্গলবার প্রকাশিত কমিশনের একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির উল্লেখ করেন। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘‘এসআইআর শুরুর সময়ে জাতীয় রাজধানী অঞ্চল দিল্লির ভোটার তালিকায় ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ১০ হাজার ২৯৯ জন ভোটারের নাম ছিল। ২০২৬ সালের ৩০ জুন থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত এই পর্যায়ে গণনা ফর্ম বিতরণের কাজ ১০০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। ১৭ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৯৭ লক্ষ ৫৩ হাজার ৫৭৭ জন ভোটার তাঁদের গণনা ফর্ম জমা দিয়েছেন। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা একাধিকবার নাম নথিভুক্ত থাকা ভোটার হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার কারণে ৪৭ লক্ষ ৫৬ হাজার ৭২২ জন ভোটারের গণনা ফর্ম ফেরত আসেনি।’’
ভূষণ বলেন, খসড়া তালিকায় থাকা ৯৭ লক্ষ ৫৩ হাজার ৫৭৭ জন ভোটারের মধ্যে ১৯ লক্ষ ৩৪ হাজার ২৪৩ জনকে ব্যবস্থার মাধ্যমে চিহ্নিত ‘যৌক্তিক অসংগতি’র ভিত্তিতে নোটিস দেওয়া হয়েছে। অথচ ‘‘কোন বিষয়কে তাঁরা যৌক্তিক অসংগতি বলছেন, তা কোনও নথিতে, কোথাও কখনও সংজ্ঞায়িত করেননি।’’
নাইডু বলেন, পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যেই এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে।
কমিশনের আইনজীবীকে বিচারপতি বাগচী বলেন, ‘‘আপনারা যা করেছেন, তা হল কয়েকটি নির্দিষ্ট ছক তৈরি করেছেন। এমন ছক তৈরি করাকে কোনও মানুষের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ বলে গণ্য করা যায় কি না, তা আমাদের পরীক্ষা করতে হবে। কোনও মানুষের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করা হয়নি। এখানে আমরা কোনও মন্তব্য করতে চাই না… বিষয়টি আমরা বিবেচনা করতে চাই। বিহারের এসআইআর মামলায় ‘যৌক্তিক অসংগতি’ কখনও বিবেচিত হয়নি।’’
তিনি বলেন, ‘‘প্রথমবার এটি করা হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে। আর কিছু বিষয় আমরা আগেই খতিয়ে দেখেছিলাম বলে আপনাদের অনুমতি দিয়েছিলাম… তার অর্থ এই নয় যে, বিষয়টি নিয়ে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’
দিল্লির এসআইআর প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি নাইডুকে বলেন, দিল্লির মতো বড় শহরে জনসংখ্যার একটি অংশের অবস্থান বারবার বদলায়। জীবিকার সুযোগ যেখানে পাওয়া যায়, তার ভিত্তিতে মানুষ কাজের জায়গা বদলান। তাঁর বক্তব্য, ‘‘আপনাদের কাছে আসার দায় তাঁদের ঘাড়ে চাপানোর পরিবর্তে আপনারাই তাঁদের কাছে যান।’’
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘আপনারা যখন বলছেন ভোটারদের গণনা ফর্ম দেওয়া হয়েছে, তখন ধরে নিচ্ছেন, আগের বার যে ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছিল, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এখনও সেখানেই থাকেন। অথচ তিনি সেখানে নেই।’’
নাইডু জানান, নিয়ম অনুযায়ী কেউ ঠিকানা বদলালে তাঁকেই তা জানাতে হয়, যাতে তালিকা সংশোধন করা যায়। তিনি না জানালে নথিতে পুরনো ঠিকানাই থেকে যাবে।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ভোটের সময়ে মানুষ সক্রিয় হন। যাঁরা বাসস্থান বদলেছেন, তাঁরা তখন খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করেন, তাঁদের ভোট কোথায় রয়েছে। ‘‘কিন্তু এখন যখন কোনও নির্বাচন নেই এবং মানুষ নিজেদের কাজে ব্যস্ত, তখন আশা করবেন না যে, তাঁরা কর্তৃপক্ষকে জানাবেন, তাঁরা ঠিকানা বদলেছেন।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘সহজ স্থানীয় ভাষায় এবং ইংরেজিতে আপনাদের একটি বিবৃতি বা বিজ্ঞপ্তিই স্পষ্ট করে দিতে পারে যে, শুধু যাঁরা প্রথমবার দিল্লিতে ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত করতে চান, তাঁদেরই ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করতে হবে। যাঁদের নাম ২০২৬ সালের তালিকায় ছিল, অথচ স্থায়ীভাবে বা সাময়িকভাবে ঠিকানা বদলানোর কারণে, কিংবা দিল্লির বাইরে থাকার কারণে ফর্ম পূরণ করতে পারেননি, তাঁদের জন্য তা নয়।’’
আগে ভোটার তালিকায় নাম ছিল, পরে বাদ পড়েছে—এমন কাউকে ওই ঘোষণা দিয়ে ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করতে বলা ‘‘ভুল’’ বলে মন্তব্য করেন বিচারপতি বাগচী।
তিনি বলেন, ‘‘আপনারা তাঁকে ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করে ঘোষণা করতে বলছেন, আমার নাম কখনও ভোটার তালিকায় ছিল না। এটি ভুল। তার পরে তাঁর কাছে আরও ঘোষণা চাইছেন—কবে জন্মেছেন, বাবা কোথায়, সংযোগ কোথায়, ইত্যাদি ইত্যাদি। আমরা বুঝতে পারছি, আপনারা একেবারে নতুন করে অনুসন্ধান করছেন। কিন্তু যদি শুধু ২০০৩ সালের এসআইআরের পরে তৈরি তালিকাকেই ভিত্তি হিসেবে ধরেন, তা হলে এই প্রক্রিয়া বোঝা যায়। কারণ সে ক্ষেত্রে আপনারা ২০০৩ সালের পরের সব তালিকা মুছে দিয়েছেন। ফলে প্রত্যেকেই নতুন ভোটার। তখন আপনাদের ৬ নম্বর ফর্মে, কিংবা যে ঘোষণাই চাইছেন, সেখানে লেখা থাকা উচিত—আমার নাম ২০০৩ সালের ভোটার তালিকায় নেই। কিন্তু যদি ২০২৬ সালের ভোটার তালিকাকে ভিত্তি হিসেবে ধরেন এবং কেউ ঠিকানা বদলে থাকেন, তা হলে তাঁকে ৮ নম্বর ফর্ম জমা দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।’’
দু’সপ্তাহ পরে মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করে বেঞ্চ জানায়, ৩০ অক্টোবরের সময়সীমা বাড়ানোর কোনও নির্দেশ আদালত দিচ্ছে না। কমিশন নিজে থেকেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে বলে আশা করছে আদালত।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘আপনাদের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করুন। কীভাবে ৬ নম্বর এবং ৮ নম্বর—দু’ধরনের ফর্মই গ্রহণ করা চালিয়ে যাওয়া যায়, তা নিশ্চিত করুন। আপাতত কোনও শেষ তারিখ ধরে চলবেন না। দিল্লিতে এখন কিছু হচ্ছে না। তাই ফর্ম গ্রহণ চালিয়ে যান। সংবাদপত্রে, অনলাইনে এবং অন্য মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানান, এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, কোনও শেষ তারিখ নেই, মানুষ যে কোনও সময়ে ৬ নম্বর বা ৮ নম্বর ফর্ম জমা দিতে পারেন। ৬ নম্বর ফর্মের সঙ্গে যে নথি দেওয়া হবে, তা যাচাই করতে পারেন। ৮ নম্বর ফর্মের ক্ষেত্রেও নথি যাচাই করতে পারেন।’’
নাইডু বলেন, ‘‘এই দু’সপ্তাহে আমরা যে পদক্ষেপ করব, তা আপনাদের জানাব। এর মধ্যে সময়সীমাও বাড়ানো হবে। আমরা তা নিশ্চিত করব।’’
পাঠকের মন্তব্য ০
শালীন ও বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করুন। মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ হবে।
মন্তব্য করতে আপনার বাংলাস্ফিয়ার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। সদস্যতা কেনার প্রয়োজন নেই।
এখনও কোনো অনুমোদিত মন্তব্য নেই।