কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের মহার্ঘ ভাতা নির্ধারণ করা হয় শিল্পশ্রমিকদের জন্য প্রযোজ্য সর্বশেষ উপভোক্তা মূল্যসূচকের ভিত্তিতে। প্রতি মাসে এই সূচক প্রকাশ করে শ্রম ব্যুরো।
কেন দেওয়া হয় মহার্ঘ ভাতা
জিনিসপত্রের দাম এবং জীবনযাপনের খরচ বেড়ে যাওয়ার প্রভাব কিছুটা সামাল দিতে কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ দেয় সরকার। মূল্যবৃদ্ধির ফলে টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। সেই ক্ষয় খানিকটা পূরণ করাই মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার উদ্দেশ্য। সাধারণত বছরে দু’বার এই ভাতার হার সংশোধন করা হয়।
কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা এবং পেনশনভোগীদের ডিয়ারনেস রিলিফ বা ডিআর হিসাব করতে সরকার শিল্পশ্রমিকদের জন্য প্রযোজ্য সর্বশেষ উপভোক্তা মূল্যসূচক বা সিপিআই-আইডব্লিউ ব্যবহার করে। শ্রম ব্যুরো প্রতি মাসে এই সূচক প্রকাশ করে।
এর আগে চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল ডিএ সংশোধন করা হয়েছিল। বর্ধিত হার কার্যকর হয় ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। সে বার কেন্দ্র মহার্ঘ ভাতা ২ শতাংশ পয়েন্ট বাড়িয়ে ৫৮ শতাংশ থেকে ৬০ শতাংশ করেছিল। সর্বভারতীয় উপভোক্তা মূল্যসূচকের ১২ মাসের গড়ের শতকরা বৃদ্ধির ভিত্তিতে এই হার নির্ধারণ করা হয়।
তারও আগে, ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর মহার্ঘ ভাতা ৩ শতাংশ পয়েন্ট বাড়ানো হয়েছিল। তাতে ডিএ-র হার ৫৫ শতাংশ থেকে বেড়ে হয় ৫৮ শতাংশ। সেই বৃদ্ধি কার্যকর হয়েছিল ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে।
রাজকোষের খরচ কত
সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এ বারের বৃদ্ধির ফলে ডিএ ও ডিআর মিলিয়ে রাজকোষের অতিরিক্ত খরচ হবে বছরে ১০,০১৬.১০ কোটি টাকা। এর সুফল পাবেন প্রায় ৪৮ লক্ষ ৫৪ হাজার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী এবং ৬৮ লক্ষ ৭১ হাজার পেনশনভোগী।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘সপ্তম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে নির্ধারিত ও গৃহীত সূত্র মেনেই এই বৃদ্ধি করা হয়েছে।’’
পাঠকের মন্তব্য ০
শালীন ও বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করুন। মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ হবে।
মন্তব্য করতে আপনার বাংলাস্ফিয়ার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। সদস্যতা কেনার প্রয়োজন নেই।
এখনও কোনো অনুমোদিত মন্তব্য নেই।