“আধার কার্ড আর ভিত্তি থাকবে না। উপভোক্তাদের টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের বায়োমেট্রিক তথ্য এবং ভোটার কার্ডের ইপিক নম্বরই হবে ভিত্তি। তার ভিত্তিতেই তাঁদের টাকা দেওয়া হবে,” বলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতি রাজমন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিংহ। তবে কোন কোন প্রকল্পে ইপিক নম্বর ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

আত্মনির্ভর ও উন্নত পঞ্চায়েত গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে অংশ নেওয়ার আহ্বানও জানান সিংহ। তিনি বলেন, কাজের সাফল্যের ভিত্তিতে দেওয়া অনুদান পাওয়ার যোগ্য হতে হলে গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিকে নিজস্ব উৎস থেকে রাজস্ব আদায় বাড়াতে হবে।

পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রকের এমন কোনও প্রকল্প নেই, যেখানে কোনও ব্যক্তিগত উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠানো হয়। তবে সিংহের দায়িত্বে থাকা মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধশিল্প মন্ত্রকের কয়েকটি প্রকল্পে টাকা পাওয়ার জন্য আধার বাধ্যতামূলক।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, পশুপালন ও দুগ্ধশিল্প দফতরের অধীনে পরিচালিত জাতীয় প্রাণিসম্পদ মিশনের উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচিতে সুবিধা পেতে প্রত্যেক যোগ্য উপভোক্তাকে “আধার নম্বর থাকার প্রমাণ দিতে হবে অথবা আধারের মাধ্যমে পরিচয় যাচাই করাতে হবে”।

এ ছাড়াও গ্রামীণ কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা কর্মসূচি ‘ভিবি–জি রাম জি’, পিএম-কিসান, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ) এবং জাতীয় সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির মতো একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পে টাকা দেওয়ার জন্য আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়। জাতীয় সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বার্ধক্য, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা।