গুলির হামলার পর নিরাপত্তায় বড় বদল, বান্দ্রায় সমুদ্রমুখী ছয়তলা নতুন বাড়ি গড়ছেন সলমন খান

যা জানা জরুরি
- হাইলাইটস: ২০২৪ সালে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে হামলার পর নতুন বাড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত।
- বান্দ্রার চিমবাই এলাকায় সমুদ্রমুখী ছয়তলা আবাসনের অনুমোদন মিলেছে।
- মহারাষ্ট্র উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ১৬ জুন নির্মাণে ছাড়পত্র দেয়।
বিস্তারিত প্রতিবেদন
হাইলাইটস:
- ২০২৪ সালে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে হামলার পর নতুন বাড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত।
- বান্দ্রার চিমবাই এলাকায় সমুদ্রমুখী ছয়তলা আবাসনের অনুমোদন মিলেছে।
- মহারাষ্ট্র উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ১৬ জুন নির্মাণে ছাড়পত্র দেয়।
- নতুন বাড়িতে নিরাপত্তার বিষয়টিকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালে মুম্বইয়ের বান্দ্রায় অভিনেতা Salman Khan-এর গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে বন্দুক হামলার ঘটনার পর তাঁর জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। দীর্ঘদিনের বাসস্থান ছেড়ে এবার সমুদ্রমুখী নতুন বাড়ি নির্মাণের পথে হাঁটছেন তিনি ও তাঁর পরিবার। সম্প্রতি মহারাষ্ট্র উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এমসিজেডএমএ) বান্দ্রার চিমবাই এলাকায় ছয়তলা আবাসিক ভবন নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে। জানা গিয়েছে, ১৬ জুন অনুষ্ঠিত বৈঠকে এমসিজেডএমএ এই প্রকল্পে ছাড়পত্র দেয়। নতুন ভবনটি তৈরি হবে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে মাত্র কয়েকশো মিটার দূরে, তুলনামূলক শান্ত একটি গলির মধ্যে। নিরাপত্তার দিক থেকে এই অবস্থানকে অনেক বেশি উপযোগী বলে মনে করা হচ্ছে।
গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে খান পরিবারের বসবাস শুরু হয় ১৯৭৪ সালে। বলিউডপ্রেমীদের কাছে এটি এক ঐতিহাসিক ঠিকানা। প্রতিবছর ঈদ এবং নিজের জন্মদিনে সলমন এই বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে অনুরাগীদের শুভেচ্ছা জানাতেন। কিন্তু ২০২৪ সালের হামলার পর সেই প্রথায় ইতি পড়ে। হামলার পরে বারান্দায় বুলেটপ্রুফ কাচ বসানো হয় এবং নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়। বর্তমানে অভিনেতা ‘ওয়াই প্লাস’ নিরাপত্তা পাচ্ছেন। সরকারি নথি অনুযায়ী, নতুন প্রকল্পটি অভিনেতার মা Salma Khan-এর মালিকানাধীন জমিতে নির্মিত হবে। এই জমিতে আগে ১৯৫৬ সালেরও আগের একটি দোতলা বাড়ি ছিল। খান পরিবার ২০১১ সালে জমিটি কেনার পর জরাজীর্ণ ভবনটি ভেঙে ফেলে।
নতুন ভবনটি হবে ভূমিতল, স্টিল্ট পার্কিং এবং তার উপরে ছয়তলা বিশিষ্ট। মোট নির্মাণের আয়তন হবে প্রায় ১,০১৪ বর্গমিটার। প্রকল্পটি নির্মাণ করবে সাচ ডেভেলপার্স। নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক অনুমতিও ২০২৫ সালের অক্টোবরে মুম্বই পুরসভা থেকে মিলেছিল। প্রকল্পের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্মাণের জন্য কোনও গাছ কাটা হবে না। বরং জমির চারপাশে এবং উন্মুক্ত এলাকায় দেশীয় প্রজাতির গাছ লাগানো হবে। ভবনের জন্য পৌরসভার রাস্তা থেকে আলাদা প্রবেশপথও রাখা হবে।
যদিও এই নির্মাণ নিয়ে অভিনেতার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি, তবু স্পষ্ট যে ২০২৪ সালের হামলার পর নিরাপত্তাই এখন খান পরিবারের প্রধান অগ্রাধিকার। নতুন সমুদ্রমুখী বাড়িটি শুধু বিলাসবহুল আবাসন নয়, বরং আরও সুরক্ষিত ও ব্যক্তিগত জীবনযাপনের লক্ষ্যেই নির্মিত হচ্ছে।
সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট
প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।



