পঞ্চাশের কম বয়সি ভোটারদের অনেকেরই হয়তো ‘ওয়েলফেয়ার কুইন’-এর কথা মনে নেই। সরকারি সাহায্যের টাকা হাতিয়ে বিলাসজীবন কাটানো এই তথাকথিত ‘রানি’ একসময় আমেরিকার সামাজিক অবক্ষয়ের কারণ ব্যাখ্যা করতে রিপাবলিকানদের বহুল ব্যবহৃত এক ধারণার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন: গরিবরা আসলে একদল জালিয়াত।
১৯৭৬ সালে রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী বাছাইয়ের প্রাথমিক নির্বাচনের প্রচারে এক জনসভায় রোনাল্ড রেগন মার্কিন ভোটারদের সামনে তুলে ধরেন লিন্ডা টেলরের নাম। শিকাগোর সাউথ সাইডের বাসিন্দা টেলর সরকারি কল্যাণভাতা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন। রেগনের দাবি ছিল, “খাদ্যসহায়তা, সামাজিক সুরক্ষার ভাতা এবং চার জন কাল্পনিক মৃত প্রাক্তন সেনা-স্বামীর নামে সুবিধা আদায় করতে তিনি ৮০টি নাম, ৩০টি ঠিকানা এবং পাঁচটি ফোন নম্বর ব্যবহার করেছেন। শুধু করমুক্ত নগদ আয়ই তাঁর বছরে দেড় লক্ষ ডলার।”
সামাজিক সুরক্ষার ভাতা নিয়ে জালিয়াতির চেয়েও গুরুতর অপরাধ হয়তো করেছিলেন টেলর। কিন্তু তাঁর আয় দেড় লক্ষ ডলারের ধারেকাছেও ছিল না। ‘দ্য কুইন: দ্য ফরগটেন লাইফ বিহাইন্ড অ্যান আমেরিকান মিথ’ বইয়ের লেখক জশ লেভিনের বক্তব্য, শেষ পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে মাত্র ন’হাজার ডলার আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছিল। অথচ টেলরের কাহিনিকে হাতিয়ার করেই রেগন সমাজকল্যাণ, খাদ্যসহায়তা, মেডিকেড, সরকারি আবাসন এবং কর্মপ্রশিক্ষণের খাতে ব্যয় ছাঁটাইয়ের পক্ষে জনমত তৈরি করেছিলেন।
সমাজের একেবারে নীচের ধাপের এই অশ্বেতাঙ্গ নারী—আমেরিকার রক্ষণশীল দক্ষিণে এক শ্বেতাঙ্গ মা ও কৃষ্ণাঙ্গ বাবার নিষিদ্ধ সম্পর্কের সন্তান—একটি ধারণা প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হয়ে উঠেছিলেন: দুর্নীতি দূর করতে হলে প্রথমেই নজর দিতে হবে অশ্বেতাঙ্গ গরিবদের দিকে।
অর্ধশতাব্দী পরে ট্রাম্প প্রশাসন যেন সেই পুরনো ছবিটাই আবার সামনে আনছে। উদ্দেশ্য, আমেরিকার সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থার যতটুকু অবশিষ্ট রয়েছে, তার বিরুদ্ধে আগ্রাসী অভিযানকে সমর্থন জোগানো। একই সঙ্গে যে বিপুল, প্রায় শিল্পের আকার নেওয়া দুর্নীতি সত্যিই আমেরিকাকে বিপন্ন করছে, তা থেকে ভোটারদের নজর ঘোরানো—প্রেসিডেন্ট, তাঁর পরিবার এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠদের নিজেদের স্বার্থে ক্ষমতার ব্যবহার।
আশির দশকে রেগনের ব্যবহৃত কৌশল থেকেই এখন যুক্তি ধার করা হচ্ছে ‘সাপ্লিমেন্টাল নিউট্রিশন অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম’ বা স্ন্যাপ এবং সরকারি ভর্তুকিতে চলা স্বাস্থ্যবিমা কার্যত গুটিয়ে ফেলার পক্ষে। যুক্তি, কম সৌভাগ্যবান আমেরিকানরা এই প্রকল্পগুলিতে জালিয়াতি করছেন। যেন প্রতারণার কৌশলে তাঁরা রীতিমতো পণ্ডিত!
জেডি ভ্যান্সের জালিয়াতি প্রতিরোধী টাস্কফোর্সের সাম্প্রতিক ঘোষণা অনুযায়ী, স্ন্যাপ থেকে চার কোটি ডলার হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। ওহাইওতে ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেছেন, “এমন লোক আছে, যারা এই প্রকল্পগুলিতে জালিয়াতি করার সিদ্ধান্ত নেয়। নিজেদের ধনী করতে তারা, এই ঘটনায় আক্ষরিক অর্থেই, ক্ষুধার্ত শিশুদের মুখের খাবার কেড়ে নেয়।”
এর ঠিক আগেই ভ্যান্স উল্লাসের সঙ্গে ঘোষণা করেছিলেন, জালিয়াতির অভিযোগে ওবামাকেয়ারের আওতায় বিমাকৃত সাত লক্ষ ষাট হাজার মানুষের স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা বাতিল করেছে প্রশাসন। সরকারি টাকায় ফাঁকি দিয়ে সুবিধা নেওয়া ব্যক্তিদের ধরিয়ে দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত পুরস্কারের সঙ্গেও এই প্রচার দিব্যি মিলে যায়। ট্রাম্প বলেছেন, “আপনি যদি কাউকে ধরিয়ে দেন, ধরুন অভিযোগ করলেন এবং একশো কোটি ডলারের জালিয়াতি বের করলেন, তা হলে আমরা সেই ব্যক্তিকে এক শতাংশ কমিশন দেব।”
ট্রাম্প সম্ভবত মনে করছেন, এটি এক চতুর রাজনৈতিক চাল। কিন্তু সংবাদমাধ্যমে একের পর এক দুর্নীতির খবর উঠে আসায় আমেরিকানরা ক্রমশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন। অক্টোবরে গার্ডিয়ানের জন্য করা হ্যারিসের একটি জনমত সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভোটারদের কাছে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের পরেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সরকারি দুর্নীতি। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ৮৭ শতাংশের মতে, দুর্নীতি একটি সমস্যা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা অভিবাসন নিয়ে উদ্বিগ্ন মানুষের অনুপাতও এর চেয়ে কম।
কিন্তু ট্রাম্পের যুক্তিতে বড়সড় ফাঁক রয়েছে। হ্যারিসের সমীক্ষা অনুযায়ী, কেউ চুপিসাড়ে অনিয়ম করে স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা পাচ্ছেন কি না, তা নিয়ে ভোটারদের খুব একটা মাথাব্যথা নেই। তাঁদের আসল উদ্বেগ হল, “নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা জনস্বার্থের আগে নিজেদের বা তাঁদের অর্থদাতাদের আর্থিক স্বার্থকে জায়গা দিচ্ছেন।” ক্রিপ্টো ব্যবসা থেকে ট্রাম্পের শত শত কোটি ডলারের আয় সম্ভবত এই উদ্বেগেরই অংশ।
ভ্যান্স এই অস্বস্তিকর বিষয়টি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাঁর দাবি, “তিনি এই দুর্নীতিতে অংশ নেন কিংবা এতে অনুমোদন দেন—এমন প্রমাণের লেশমাত্রও আমি দেখিনি।” ভোটারদের মনে করিয়ে দিয়েছেন, “রাজনীতিতে আসার অনেক আগে থেকেই এই মানুষটি বিলিয়নিয়ার ছিলেন।” অর্থাৎ, ভাইস প্রেসিডেন্টের যুক্তি, বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ায় সুযোগ পেলেও ট্রাম্পের হাত সাফাই করার প্রয়োজন নেই।
কিন্তু মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, এমন ভোটারদের মধ্যে ৬৫ শতাংশই যখন এই দুর্নীতিকে একটি “বড় সমস্যা” বলে মনে করেন, তখন এই যুক্তি তাঁদের কতটা আশ্বস্ত করবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।
গত বছর ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের দুর্নীতির ধারণাসূচকে সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলির মধ্যে আমেরিকার স্থান ছিল ২৯তম—বাইডেন প্রশাসনের শেষ বছরের তুলনায় এক ধাপ নীচে। ২০১৬ সালে, ট্রাম্প প্রথমবার ক্ষমতায় আসার আগের বছর, আমেরিকার স্থান ছিল ১৮তম। ভ্যান্স এ বিষয়ে একটু পড়াশোনা করে দেখতে পারেন। অথবা স্রেফ চোখ খুলেও তাকাতে পারেন।
ক্ষমতায় ফিরে প্রথম বছরেই ট্রাম্পের ২২০ কোটি ডলার আয়, যার মধ্যে ১৪০ কোটি ডলার এসেছে ক্রিপ্টো থেকে। সুপ্রিম কোর্টে তাঁর মিত্রদের পছন্দসই সংকীর্ণ সংজ্ঞায় হয়তো একে দুর্নীতি বলা হবে না। এই বিচারপতিরাই তাঁকে এমন যে কোনও কাজের জন্য দায়মুক্তি দিয়েছেন, যাকে ‘সরকারি দায়িত্বের অন্তর্গত’ বলে বিবেচনা করা যেতে পারে। ট্রাম্প হয়তো সরাসরি ঘুষ নেননি। হয়তো নগদের বিনিময়ে নীতি বদলে দেওয়ার মতো নির্দিষ্ট কোনও দেওয়া-নেওয়ার চুক্তিতেও সম্মত হননি।
কিন্তু একটি উদাহরণ দেখা যাক। ট্রাম্পের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বা এসইসি এক ক্রিপ্টো-বিলিয়নিয়ারের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা স্থগিত করেছে। ওই ব্যক্তি চার কোটি ডলার মূল্যের ‘$Trump’ মিম কয়েন কিনেছিলেন এবং ট্রাম্পের আর একটি ক্রিপ্টো ব্যবসায় সাড়ে সাত কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছিলেন। ক্রিপ্টোর বেআইনি ব্যবহার নিয়ে তদন্তকারী বিচার বিভাগের দলটিও ট্রাম্প তুলে দিয়েছেন। তাঁর নির্বাচনী প্রচারে অর্থ দেওয়া কয়েনবেস, রিপল ও ক্র্যাকেন-সহ বিভিন্ন ক্রিপ্টো সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্তও বন্ধ করে দিয়েছেন।
তাঁর ছেলে এরিকের নেতৃত্বাধীন ট্রাম্প অর্গানাইজেশন একের পর এক চুক্তি করছে এমন সব শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে, যাদের স্বার্থের সঙ্গে ট্রাম্পের বিদেশনীতি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ এক ধনকুবের একটি ব্যক্তিগত দ্বীপে প্রেসিডেন্টের ছেলে ডোনাল্ড জুনিয়রের বিয়ের অনুষ্ঠানের খরচ জুগিয়েছেন। আর ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনার এমন সব দেশের শাসকদের সঙ্গে শত শত কোটি ডলারের ব্যবসায়িক চুক্তি করছেন, যাঁদের সঙ্গে তিনি আমেরিকার প্রতিনিধি হিসেবেও কূটনৈতিক আলোচনা চালাচ্ছেন।
ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য রোজা ডিলরো একটি তালিকা তৈরি করেছেন। ক্ষমতায় থেকে ট্রাম্প কী কী উপায়ে নিজেকে, নিজের পরিবারকে এবং নিজের সহযোগীদের আরও ধনী করছেন, তার বিবরণ রয়েছে সেখানে।
কাতারের সরকার তাঁকে একটি বিলাসবহুল বিমান উপহার দিয়েছে। এর ফলে সংবিধানের ‘ইমোলুমেন্টস ক্লজ’ বা বিদেশি রাষ্ট্রের কাছ থেকে উপঢৌকন গ্রহণ সংক্রান্ত বিধান লঙ্ঘিত হয়ে থাকতে পারে।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শাসক পরিবারের সঙ্গে যুক্ত একটি বিনিয়োগ সংস্থা গোপনে ৫০ কোটি ডলারে ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফিনানশিয়ালে অংশীদারিত্ব কিনেছিল। ট্রাম্প ও তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু স্টিভ উইটকফের পরিবারের অর্থায়নে গড়ে ওঠা এই ক্রিপ্টো সংস্থায় বিনিয়োগের অল্প সময় পরেই আমিরশাহি আমেরিকার অত্যাধুনিক কিছু এআই চিপ পাওয়ার ছাড়পত্র পায়। ওই চিপের রফতানি কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রিত ছিল।
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ধনীরা এখন ট্রাম্পের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অনুদান দিয়ে তার পরে ক্ষমা কিংবা সাজা মকুব চাইছেন। সাম্প্রতিকতম ঘটনায় পুয়ের্তো রিকোর প্রাক্তন গভর্নর ওয়ান্ডা ভাসকেস গার্সেদ এবং তাঁকে ঘুষ দেওয়া ব্যাঙ্কার হুলিও হেরেরা ভেলুতিনি ক্ষমা পেয়েছেন। তার আগে ভেলুতিনির পরিবার ট্রাম্পের প্রাক্তন ব্যক্তিগত আইনজীবী আলিনা হাব্বাকে পাঁচ কোটি ডলারের একটি চুক্তি দিয়েছিল এবং ট্রাম্পের ‘মাগা ইনক’ সুপার প্যাকে ৩৫ লক্ষ ডলার অনুদান দিয়েছিল।
প্রেসিডেন্টের পরিবার সরকারের কাছ থেকেও বিপুল সুবিধা পাচ্ছে। ডোনাল্ড জুনিয়রের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সংস্থা ‘১৭৮৯ ক্যাপিটাল’ বিরল মৃত্তিকা খনিজের স্টার্টআপ ভালকান এলিমেন্টসে অংশীদারিত্ব কেনার মাত্র তিন মাস পরেই পেন্টাগন ওই সংস্থাকে ৬০ কোটি ডলারেরও বেশি ঋণ দিয়েছে।
এরিক ও ডোনাল্ড জুনিয়রের সমর্থনপুষ্ট ড্রোন প্রস্তুতকারক সংস্থা পাওয়ারাস পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার মিত্র দেশগুলিকে শত্রুপক্ষের ড্রোন ঠেকানোর ড্রোন বিক্রি করছে। ইরানের হামলার মুখে রয়েছে ওই দেশগুলি। কংগ্রেসের সঙ্গে পরামর্শ না করেই বাবা যে যুদ্ধ শুরু করেছেন, তা থেকে ছেলেদের ধনী হওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
এক ব্রিটিশ গবেষক একটি অনলাইন ট্র্যাকারও তৈরি করেছেন। হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের গত ২১ মাসে দুর্নীতি এবং পদের অপব্যবহারের কয়েকশো ঘটনা সেখানে নথিভুক্ত করা হয়েছে।
হোয়াইট হাউস অবশ্য অস্বীকার করেছে যে ট্রাম্পের পরিবার কখনও কোনও স্বার্থের সংঘাতে জড়িয়েছে। রাজনৈতিক অনুদানের বিনিময়ে কাউকে ক্ষমা করা বা সাজা মকুবের অভিযোগও তারা নাকচ করেছে।
গরিব আমেরিকানদের অসহায় অবস্থায় ছেড়ে দিতে রেগনের হয়তো আপত্তি ছিল না। কিন্তু ব্যক্তিগত লাভের জন্য তিনি তা করেননি। ট্রাম্পের ক্ষেত্রে ছবিটা আলাদা। তিনি যেন মনে করছেন, স্ন্যাপের সুবিধার অপব্যবহারকারী পরজীবীদের পিছনে লাগলে এবং তাঁদের কয়েক জনকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য মাগা-অনুগামীদের পুরস্কার দিলে, নিজের পদকে নগদ অর্থে রূপান্তরিত করার চেষ্টা থেকে ভোটারদের নজর ঘোরানো যাবে।
আশা করা যাক, আমেরিকার ভোটাররা—এমনকি সরকারি সাহায্যপ্রকল্পে জালিয়াতি করা ‘অযোগ্য ওয়েলফেয়ার কুইন’-এর ছবিতে যাঁরা বিশ্বাস করতে চান, তাঁরাও—চোখের সামনে আসল দুর্নীতি দেখলে তা চিনতে পারবেন।
পাঠকের মন্তব্য ০
শালীন ও বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করুন। মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ হবে।
মন্তব্য করতে আপনার বাংলাস্ফিয়ার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। সদস্যতা কেনার প্রয়োজন নেই।
এখনও কোনো অনুমোদিত মন্তব্য নেই।