১৩৯২-এর ২৬ শে চৈত্র। খ্রিস্টাব্দের হিসেবে ১৯৮৬-র ৯ এপ্রিল। চৈত্র-অমাবস্যার সন্ধে নেমেছে হর-কি-পিয়ারির ঘাটে। চলছে গঙ্গা-আরতির প্রস্তুতি।
All Right Reserved.
১৩৯২-এর ২৬ শে চৈত্র। খ্রিস্টাব্দের হিসেবে ১৯৮৬-র ৯ এপ্রিল। চৈত্র-অমাবস্যার সন্ধে নেমেছে হর-কি-পিয়ারির ঘাটে। চলছে গঙ্গা-আরতির প্রস্তুতি।
পুরীর সাগরতীরে একটা প্লাস্টিকের চেয়ারে, ছাতার নীচে বসে আছি। সামনে সমুদ্র ঢেউয়ের পর ঢেউ ভাঙছে। পকেটে ফোনটা ভাইব্রেট করে উঠল।
চাঁদের আলো, তেরছা, কার্নিশে গোত্তা মেরে আমার ব্যালকনির দক্ষিণ কোণে যখন এসে পড়ে, মনে হয় তারা আছেন। নানা ভাবের, নানা রঙের, নানা রসের,
রাত্রিশেষে ভোরের জানলায় রোজ যখন নতুন একটা দিনের প্রথম আলো এসে পড়ে, একটু দূরেই যখন অপেক্ষায় থাকে নরম রোদ্দুরেরা, পাশের কৃষ্ণচূড়ার
ক্লাস সিক্সের পড়া শেষ। এ বার এই মফস্সল ছেড়ে কলকাতা চলে যাব এ খবরটা সবার মধ্যে একটু তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে গেল বোধ হয়। সন্ধ্যায় মাঠ থেকে খেলা শেষে ফিরছি,
আমার ছোট দাদু বলতেন, ‘ক্রীড়া অতি ভীষণ বস্তু। খুব সাবধানে সামলাতে হয়। খেলতে খেলতে ক্রীড়নক হয়ে গেলেই বরাত বাতিল।’
ন-কাকা নাকি কোনও এক ওষুধ কোম্পানির চিফ কেমিস্ট ছিলেন। এ পাড়ায় আসা ইস্তক দেখে আসছি এলাকার শিবমন্দিরের চাতাল জুড়ে বাবু হয়ে বসে আছেন।
যদি কেন, নিশ্চিত ভাবেই খেলা থেমে যাবে একদিন। আর খেলা যে থেমে যাবে—সে কথা খেলা শুরুর আগে থেকেই তো জানতাম! কারণ, যা নিয়ে খেলতে নেমেছি—
খেলাধুলোয় আমি চিরকাল অপটু। অন্তত আমার তাই বিশ্বাস। আর স্কুল কলেজের ট্র্যাক রেকর্ড তো তার জ্বলন্ত প্রমাণ।
All Right Reserved.