ওমর আবদুল্লাকে বিয়ে করে নতুন অধ্যায় শুরু নিধি রাজদানের, সমাজমাধ্যমে রসিক পোস্ট সাংবাদিকের
নতুন জীবনের শুরু, আর তাতেই মজার ছলে ঘোষণা! ‘‘ইট্স ডান ব্রো’’—অর্থাৎ, ‘‘হয়ে গেল, ভাই!’’ সমাজমাধ্যমে বিয়ের ছবি পোস্ট করে এমনই রসিক মন্তব্য করলেন প্রবীণ সাংবাদিক নিধি রাজদান। জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার সঙ্গে তাঁর বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল নেটদুনিয়ায়।
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর একটি অনুষ্ঠানে নিজেদের সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেন ওমর ও নিধি। পরদিন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর সমাজমাধ্যমে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরুর খবর জানান তাঁরা। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার দিল্লিতে তাঁদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন হওয়ার কথা ছিল।
এক্স হ্যান্ডলে নিধির সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে ওমর লেখেন, ‘‘গতকাল এক নতুন যাত্রা শুরু হল।’’ সেই পোস্টে নিধিকেও ট্যাগ করেন তিনি। মুহূর্তের মধ্যে ছবিটি নজর কাড়ে নেটাগরিকদের। অন্যদিকে, নিধিও নিজের এক্স হ্যান্ডলে বিয়ের ছবি ভাগ করে নেন। তবে তাঁর ঘোষণার ধরন ছিল একেবারেই আলাদা। সংক্ষিপ্ত, সোজাসাপটা, আর খানিকটা মজার ছলে লিখলেন, ‘‘ইট্স ডান ব্রো!’’
ভারতের পরিচিত সাংবাদিকদের অন্যতম নিধি রাজদান দীর্ঘদিন এনডিটিভিতে কাজ করেছেন। জাতীয় রাজনীতি ও সমসাময়িক ঘটনাবলি নিয়ে তাঁর প্রতিবেদন, সংবাদ পরিবেশনা এবং সঞ্চালনা তাঁকে বিশেষ পরিচিতি দিয়েছে।
ওমরের জীবনে এই নতুন অধ্যায় শুরু হল তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী পায়েল সিংহের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টের সায় মেলার প্রায় তিন মাস পরে। ওমর ও পায়েল আদালতকে জানিয়েছিলেন, পারস্পরিক সম্মতিতেই তাঁরা দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি টানতে চান। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই বিবাহবিচ্ছেদের পথ প্রশস্ত করে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
দিল্লির দ্য ওবেরয় হোটেলে কাজ করার সময় ওমর ও পায়েলের পরিচয়। ১৯৯৪ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। তাঁদের দুই ছেলে—জাহির ও জামির।
২০১১ সালে ওমর প্রকাশ্যে জানান, তিনি ও পায়েল আলাদা হয়ে গিয়েছেন। তার পর দীর্ঘদিন ধরে আদালতে চলেছে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের মামলা। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট সেই বিচ্ছেদে সিলমোহর দেয়। আর তার কয়েক মাসের মধ্যেই নিধি রাজদানের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করলেন ওমর আবদুল্লা।
পাঠকের মন্তব্য ০
শালীন ও বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করুন। মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ হবে।
মন্তব্য করতে আপনার বাংলাস্ফিয়ার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। সদস্যতা কেনার প্রয়োজন নেই।
এখনও কোনো অনুমোদিত মন্তব্য নেই।