নির্বাচনী ভোটার তালিকায় কারচুপি ও ‘ভোটচুরি’র গুরুতর অভিযোগ তুলে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে আগামী রবিবার (১ নভেম্বর) রাজধানী দিল্লিতে সুবিশাল মেগা প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিরোধী ‘ইন্ডি’ (INDIA) জোট। দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই বিরোধী সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।

এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিতে ইতোমধ্যেই রাজধানী দিল্লিতে পৌঁছেছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সমাবেশে থাকবেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে ও অখিলেশ যাদবদের মতো প্রথম সারির জাতীয় রাজনীতি ও বিরোধী দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পাশাপাশি, নবগঠিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র প্রতিনিধি অভিজিৎ দিপকে এবং ছাত্র সংগঠন ‘আইসা’ (AISA)-র সর্বভারতীয় সভানেত্রী নেহা বোরাসহ কেন্দ্রের নীতিবিরোধী সুশীল সমাজের বিশিষ্টজন ও প্রচুর সাধারণ মানুষেরও সেখানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

দিল্লি পুলিশের অনুমান, এই প্রতিবাদ কর্মসূচি কেন্দ্র করে রামলীলা ময়দান ও সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১০ থেকে ১২ লক্ষ মানুুষের ভিড় জমতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রামলীলা ময়দান ও তার আশপাশের এলাকাকে মোট ১৪টি বিশেষ জোনে বিভক্ত করা হয়েছে। সার্বক্ষণিক কড়া নজরদারির জন্য মোতায়েন করা হচ্ছে ২০০টি আধুনিক এআই (AI) ক্যামেরা।

পাশাপাশি, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে আগাম সতর্কতা জারি করেছে দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ। রবিবার সকাল থেকে পরিস্থিতি বিবেচনা করে নেতাজি সুভাষ মার্গ টি-পয়েন্ট, রাজঘাট, দিল্লি গেট, আইটিও এ-পয়েন্ট, আজমেরি গেট, রঞ্জিত সিং ফ্লাইওভার, ঝান্ডেওয়ালান গোলচত্বর, তুর্কমান গেট এবং মির্ধার্দ চকে ট্রাফিক ঘুরিয়ে দেওয়া (ডাইভার্সন) হবে। এছাড়া বাহাদুর শাহ জাফর মার্গ, রাজঘাট-জেএলএন মার্গ, ডিবিজি রোড ও মিন্টো রোডেও যান চলাচল সীমিত রাখা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ভিড় সামলাতে সেন্ট্রাল রেঞ্জ জুড়ে অতিরিক্ত ট্রাফিক কর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে।