
একদিন যদি খেলা থেমে যায়
আমার ছোট দাদু বলতেন, ‘ক্রীড়া অতি ভীষণ বস্তু। খুব সাবধানে সামলাতে হয়। খেলতে খেলতে ক্রীড়নক হয়ে গেলেই বরাত বাতিল।’
পশ্চিমবঙ্গযাচাইকৃত তারিখ পাওয়া যায়নিকলকাতা · বিশুদ্ধসিদ্ধান্ত
বাংলাদেশ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ঢাকা · সংশোধিত ক্যালেন্ডার
পশ্চিমবঙ্গের পঞ্জিকা-উৎস ↗
আমার ছোট দাদু বলতেন, ‘ক্রীড়া অতি ভীষণ বস্তু। খুব সাবধানে সামলাতে হয়। খেলতে খেলতে ক্রীড়নক হয়ে গেলেই বরাত বাতিল।’

কুসংস্কার বনাম বিজ্ঞান। বিশ্ব-টেনিসের অবিসম্বাদিত তারকা নোভাক জকোভিচকে নিয়ে গত প্রায় এক সপ্তাহ যাবৎ মেলবোর্নে যে নাটক অনুষ্ঠিত হয়ে চলেছে,

ন-কাকা নাকি কোনও এক ওষুধ কোম্পানির চিফ কেমিস্ট ছিলেন। এ পাড়ায় আসা ইস্তক দেখে আসছি এলাকার শিবমন্দিরের চাতাল জুড়ে বাবু হয়ে বসে আছেন।

যদি কেন, নিশ্চিত ভাবেই খেলা থেমে যাবে একদিন। আর খেলা যে থেমে যাবে—সে কথা খেলা শুরুর আগে থেকেই তো জানতাম! কারণ, যা নিয়ে খেলতে নেমেছি—

খেলাধুলোয় আমি চিরকাল অপটু। অন্তত আমার তাই বিশ্বাস। আর স্কুল কলেজের ট্র্যাক রেকর্ড তো তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

আমার ছেলেবেলার আবহে ‘খেলা’ প্রায় নিষিদ্ধ শব্দ ছিল, বড়কাকুদাদুর সৌজন্যে। বড়কাকুদাদু, আমার বাবার অকৃতদার বড়কাকা। বাংলা সিনেমার

ঘড়ি চলছে, কিন্তু সময়টা কোথাও যেন থেমে! মাঠ খোলা, যেন খেলা থেমে গেছে। একটা থমকে যাওয়া সময়ে, নিজের টুকরো টুকরো কবিতাই যেন ভেসে এলো।

কলকাতা দেখতে এসেছেন তো আসুন, দুটো প্রত্নস্হলে নিয়ে যাই। দুটোই মহাতীর্থ। হেরিটেজ কমিটি অফ কলকাতা এদের আকৃতি পরিবর্তন করতে দিচ্ছে না।

একদিন যদি খেলা থেমে যায়। দিন কয়েক আগে আমার এই পোস্ট বন্ধু-মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল। রহস্যের পর্দা তুলে দিয়ে পরের দিনই জানিয়েছিলাম,

প্যানডেমিক নিয়ে প্যানপ্যানানির গপ্পো পড়তে আর ভালো লাগে না। রোজ রাতে ঘুমোনোর আগে প্রতিজ্ঞা করি, কাল থেকে আর পড়ব না। রাখতে পারি না,

বেদম রেগে গিয়ে রাজ্য সরকারি অফিসে কর্মরত আমার এক বন্ধু হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠিয়েছে — আমাদের অফিসে রোস্টার-ফোস্টারের কোনও বালাই নেই।

ডেলটা গেল (ভুল হল, পুরোপুরি যায়নি এখনও) ওমিক্রন এল। ওমিক্রন গেলে তারপরে আসবে কেডা? টাইফুন, হারিকেন অথবা ঘূর্ণিঝড় হলে তার নাম কী হবে,