
হাফসোল-৪
তরাইয়ের ছোট চা বাগানে কেটেছে স্কুল জীবন। তিন মাইল দূরে খড়িবাড়িতে স্কুল; সাইকেলে, কখনও বা হেঁটেই যেতাম।
পশ্চিমবঙ্গযাচাইকৃত তারিখ পাওয়া যায়নিকলকাতা · বিশুদ্ধসিদ্ধান্ত
বাংলাদেশ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ঢাকা · সংশোধিত ক্যালেন্ডার
পশ্চিমবঙ্গের পঞ্জিকা-উৎস ↗
তরাইয়ের ছোট চা বাগানে কেটেছে স্কুল জীবন। তিন মাইল দূরে খড়িবাড়িতে স্কুল; সাইকেলে, কখনও বা হেঁটেই যেতাম।

বারবার প্রেমে হাফ-সোল খাওয়ার কারণে পুপুর বন্ধুরা ওকে ভোঁদাই বলে ডাকত। যখন ও ক্লাস টেনে পড়ে, তখন ক্লাস নাইনে পড়া পাড়ার মেয়ে

তখন ক্লাস সেভেন। সে বার অষ্টমীর দিন বন্ধুরা মিলে শাড়ি পরে মণ্ডপে গেছি অঞ্জলি দিতে। প্রথম পর্ব শেষ হয়ে দ্বিতীয় পর্বের অঞ্জলি শুরু হয়েছে।

আমি প্রেমে পড়েছিলাম পাঁচ ফুট এগারো ইঞ্চি লম্বা চেহারা আর বড় বড় চোখের এক প্রবল রোমান্টিক সৈনিকের। প্রেম চলত চিঠিতেই।

দীর্ঘদিন নামকরা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়িয়েছি। অফিস পলিটিক্স আর লবিবাজিতে প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়েছে। একটা সময়ে মনে হয়েছে ধুস!

পুরীর সাগরতীরে একটা প্লাস্টিকের চেয়ারে, ছাতার নীচে বসে আছি। সামনে সমুদ্র ঢেউয়ের পর ঢেউ ভাঙছে। পকেটে ফোনটা ভাইব্রেট করে উঠল।

আজ দোল পূর্নিমার সকালে শতায়ু আনন্দবাজার রোজকার মতো প্রকাশিত হয়েছে অথচ প্রিন্টার্স লাইনে সম্পাদক হিসেবে অভীক সরকারের নাম নেই।

চাঁদের আলো, তেরছা, কার্নিশে গোত্তা মেরে আমার ব্যালকনির দক্ষিণ কোণে যখন এসে পড়ে, মনে হয় তারা আছেন। নানা ভাবের, নানা রঙের, নানা রসের,

বিশেষ প্রতিবেদন: চেক রিপাবলিকের বার্নো শহর। তার ঠিক মাঝখানটিতে বিশাল বাস স্ট্যান্ড। সেখানে এসে প্রায়ই বসে থাকেন আলেক্সান্দ্রু।

রাত্রিশেষে ভোরের জানলায় রোজ যখন নতুন একটা দিনের প্রথম আলো এসে পড়ে, একটু দূরেই যখন অপেক্ষায় থাকে নরম রোদ্দুরেরা, পাশের কৃষ্ণচূড়ার

ক্লাস সিক্সের পড়া শেষ। এ বার এই মফস্সল ছেড়ে কলকাতা চলে যাব এ খবরটা সবার মধ্যে একটু তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে গেল বোধ হয়। সন্ধ্যায় মাঠ থেকে খেলা শেষে ফিরছি,

ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমের দৌলতে আজকাল আর কোনও অনুষ্ঠানে শারীরিক ভাবে উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন হয় না।