
হাফসোল-১১
এ কি নেহাত হালের কথা? মোটেই না। স্বয়ং শেক্সপিয়র এই বিষয়ে তদ্বির রেখেছেন, প্রজন্মবাহিত হওয়ার জন্য আমাদের দিয়ে গিয়েছেন
পশ্চিমবঙ্গযাচাইকৃত তারিখ পাওয়া যায়নিকলকাতা · বিশুদ্ধসিদ্ধান্ত
বাংলাদেশ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ঢাকা · সংশোধিত ক্যালেন্ডার
পশ্চিমবঙ্গের পঞ্জিকা-উৎস ↗
এ কি নেহাত হালের কথা? মোটেই না। স্বয়ং শেক্সপিয়র এই বিষয়ে তদ্বির রেখেছেন, প্রজন্মবাহিত হওয়ার জন্য আমাদের দিয়ে গিয়েছেন

সে প্রায় এগারো বছর আগের এক ডিসেম্বরের কথা। সবে ষোলোটা বসন্ত একা কাটানোর অহংকার নিয়ে দাপিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি।

সেই ছোট্টকালে জেঠুবাবুর সাথে জুতো সেলাই করতে গিয়ে পালিশকাকু জুতোটা খানিক নেড়েচেড়ে বলেছিল, পুরো সোলটাই বদলে ফেলতে হবে!

ক্ষণস্থায়ী বসন্ত ভেগে যাবার পরেই একটা অসহ্য পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় পশ্চিমবাংলায়। আমরা যারা নব্বইয়ের দশকের ফসল, তাদের গরমকাল পড়লেই

হাফসোল কথাটার মানে ওদের দু’’জনের কেউই জানত না। তমাল পরত হাওয়াই চটি। রণে বনে জঙ্গলে। সর্বত্র।

মাঝখানে বিতর্কটি একেবারেই ধামাচাপা পড়ে গিয়েছিল, কেউ আর তেমন উচ্চবাচ্যই করছিলেন না। প্ররোচনা কোত্থেকে এল বুঝতে পারছি না, দেখতে পারছি কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মতো এই ভাইরাসের উৎস সন্ধানে

সে বছর শীতে বাবার সাথে মাসিমণির বাড়িতে যখন পৌঁছলাম দুমকাতে, তখন দুপুর ক্ষয়ে গেছে। দরজায় পা দিতেই মাসিমণি একগাল হেসে বললেন,

তাহলে কি বত্রিশ বছর পরে কুম্ভে এসে রাস্তায় নামেননি কালকূট? আলবাত নেমেছিলেন। রোজ বিকেলে নিয়ম করে। সকালে লেখা। দুপুরে খাওয়ার পরে সামান্য বিশ্রাম,

কোথায় সেই প্রয়াগের প্রান্তরে তাঁবুর ভিতর বিচুলির বিছানা— ‘আর কোথায় হরিদ্বারের এই হোটেল!’ তিন মাস আগে চারগুণ ভাড়ার পুরোটা অগ্রিম দিয়ে

সস্ত্রীক কলকাতা থেকে কালকূট দিল্লিতে এসেছিলেন হরিদ্বার যাত্রার দু’দিন আগেই। হয় তিনি বুঝতে ভুল করেছিলেন, নয় আমাদের বুঝতে ভুল হয়েছিল।

প্রেম ব্যাপারটা বাজার করার মতো দেখে বেছে হয় না, এই ভয়ঙ্কর উপলব্ধি ক্লাস ইলেভেনে বৈষ্ণব পদাবলী পড়াকালীন করা গেল

১৩৯২-এর ২৬ শে চৈত্র। খ্রিস্টাব্দের হিসেবে ১৯৮৬-র ৯ এপ্রিল। চৈত্র-অমাবস্যার সন্ধে নেমেছে হর-কি-পিয়ারির ঘাটে। চলছে গঙ্গা-আরতির প্রস্তুতি।