
যে নদী মরুপথে হারাল ধারা
প্রিয়-সুব্রত অচ্ছেদ্য জুটির মাঝখানে প্রথম দেওয়াল উঠল জরুরি অবস্থার পরে, ইন্দিরা গান্ধীর সৌজন্যে। সঞ্জয় গান্ধীর সঙ্গে প্রিয়র অসম লড়াই তার অনেক আগেই শুরু হয়েছিল,
পশ্চিমবঙ্গযাচাইকৃত তারিখ পাওয়া যায়নিকলকাতা · বিশুদ্ধসিদ্ধান্ত
বাংলাদেশ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ঢাকা · সংশোধিত ক্যালেন্ডার
পশ্চিমবঙ্গের পঞ্জিকা-উৎস ↗
প্রিয়-সুব্রত অচ্ছেদ্য জুটির মাঝখানে প্রথম দেওয়াল উঠল জরুরি অবস্থার পরে, ইন্দিরা গান্ধীর সৌজন্যে। সঞ্জয় গান্ধীর সঙ্গে প্রিয়র অসম লড়াই তার অনেক আগেই শুরু হয়েছিল,

অনেকটা যেন কান টানলে মাথা আসার মতো। ঠান্ডা মাথায় হিসেব করলে দেখা যাবে, প্রিয়-সুব্রতর মানিকজোড়ের সম্পর্ক সময়ের বিচারে দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়নি।

কলকাতায় থাকাকালীন সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার মৌখিক পরিচয় ছিল তবে ওইটুকুই। ঘনিষ্ঠতা হয়েছিল ৮৫ সালে আমি দিল্লিবাসী হওয়ার পরে। দলের অথবা ট্রেড ইউনিয়নের কাজে

জর্জ বার্নার্ড শ এক্কেবারে হক কথাটি বলেছিলেন। ভয় এমনই এক ভয়াবহ বস্তু যা মানুষকে যে কোনও চরম বিন্দুর দিকে ঠেলে দিতে পারে।

নিয়মিত পুজো-আচ্চা করেন না বা গলায় মাদুলি, বাহুবন্ধে তাবিজ, আঙুলের আংটিতে নানাবিধ পাথর ধারণ করেন না, এ রাজ্যের অ-বাম রাজনীতিতে এমন চরিত্র আমি প্রায় দেখিনি বললেই চলে।

ভয় করতে করতেই আমি তিন কাল পেরিয়ে এক কালে এসে পৌঁছে গেলাম। বাকিটুকু যে নির্ভয়ে কাটাব তারই বা গ্যারান্টি কোথায়।

আমাদের এই রামরাজ্যে প্রজাগণ বড়ই শান্তি আর তুরীয় আনন্দের মধ্যে কাল-যাপন করিতেছেন, তাহাদের কারও কোনও সমস্যা নাই, কোনও ঘরে বেকারি নাই,

শান্তিপুর ডুবুডুবু নদে ভেসে যায়! কবে থেকে বাঙালি এই লব্জ শুনে আসছে কে জানে! এ বার অকস্মাৎ শান্তিপুরের সঙ্গে ন’দের বিযুক্তি ঘটে গেলে শান্তিপুর

সোমেন মিত্রর গোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁর ছেলেপিলেদের প্রবল ক্যালাকেলির ঘটনার পরে সুরেন ঠাকুর রোডে নিজের অফিস ঘরে বসে উত্তেজনায় কাঁপতে কাঁপতে সুব্রত মুখোপাধ্যায় প্রকাশ্যে এই হুমকি দিয়েছিলেন।

দুয়ার এঁটে দাঁড়িয়ে আছে পাড়া/ কেবল শুনি রাতের কড়া নাড়া/ অবনী বাড়ি আছো? ওঁদের দরজায় গিয়ে কড়া নাড়তে আমারও ইচ্ছে করে। হ্যাঁ ওই মধ্যরাতেই।

নচ্ছাড় মেয়ে একটা, এখন কুম্ভীরাশ্রু ফেলে সিমপ্যাথি পাওয়ার চেষ্টা করছে! শুক্রবার জোকার ই এস আই হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের আছাড়ি-পিছাড়ি কান্না

কেস খেলাম, ক্ষুর খাইনি। তাছাড়া সুব্রতদার স্বভাবটাও ছিল ওই রকম, রেগে গেলে যা মুখে আসে বলে দিতেন, তারপরেই সেই মিষ্টি হাসি।