
বুদ্ধং শরণং (পর্ব-৩)
জ্যোতি বসু আর বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মধ্যে তফাতটা কোথায় দিল্লির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে নিজের অফিস ঘরে বসে লালকৃষ্ণ আদবানি একদা আমায় তা বুঝিয়ে ছিলেন।
পশ্চিমবঙ্গযাচাইকৃত তারিখ পাওয়া যায়নিকলকাতা · বিশুদ্ধসিদ্ধান্ত
বাংলাদেশ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ঢাকা · সংশোধিত ক্যালেন্ডার
পশ্চিমবঙ্গের পঞ্জিকা-উৎস ↗
জ্যোতি বসু আর বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মধ্যে তফাতটা কোথায় দিল্লির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে নিজের অফিস ঘরে বসে লালকৃষ্ণ আদবানি একদা আমায় তা বুঝিয়ে ছিলেন।

এই একটি ঘটনাকে উপেক্ষা করে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে আমার সুসম্পর্কের ইতিবৃত্ত শুরু করা অসম্ভব। ঘটনাটির কথা আমি আগেও বলেছি, ছাপার অক্ষরে বইতে গ্রথিতও আছে (শিয়রে সুমন, সঙ্গে শুভাশিস মৈত্র, প্রকাশক ধানসিঁড়ি)। তবু অধিকন্তু নঃ দোষায়!

২০০১-এর বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে জ্যোতি বসুর শূন্যস্থানে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী করাটা ছিল সিপিএমের মাস্টার-স্ট্রোক। এই একটি সিদ্ধান্ত বিরোধীদের পাল থেকে অনেকখানি হাওয়া কেড়ে নিতে পেরেছিল ময়দানে লড়াই শুরু হওয়ার আগেই।

‘দুঃসময়’, নাটক লিখলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। নন্দনের নিভৃত কামরায় বসে। জ্যোতিবাবুর মন্ত্রিসভা থেকে হঠাৎ রাগের মাথায় ইস্তফা দেওয়ার পরে।

বড় খবর ‘মিস’ করার মর্মবেদনা কতটা মারাত্মক, তা কেবল খবরের কারবারিরাই জানে। অন্য কাগজে আছে আমার কাগজে নেই এমন কোনও ভালো খবর চোখে পড়লেই আমার বাকি দিনটা বরবাদ হয়ে যেত,

পূর্বসূরির সঙ্গে নিজের পার্থক্য বোঝাতে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রায়শই একটি কথা বলতেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নাম ধরে ব্যক্তিগত আক্রমণ করার আমি বিরোধী। একে আমি রুচিসম্মত

ন্যূনতম ইতিহাস-চেতনা থাকলে বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় জালিয়ানওয়ালাবাগের দৃষ্টান্ত দিতেন না। ১৯৯৩-এর ২১ জুলাই কলকাতার রাজপথে পুলিশের নির্বিচার গুলি চালনা ছিল বর্বরতারই নামান্তর।

১৯৮৫ সালে আমি যে কলকাতা ছেড়েছিলাম, ‘৯৩ সালে সেই শহরে আমি প্রত্যাবর্তন করিনি। ইতিমধ্যে স্থানীয় রাজনীতিতে বাম-বিরোধিতার প্রধান মুখ হয়ে উঠে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আমার অতি বড় দুর্ভাগ্য প্রমোদ দশগুপ্তকে চেনার সুযোগই পাইনি। ১৯৮২ সালে চিনে সফররত অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর অকস্মাৎ মৃত্যু হলো,

বুদ্ধবাবুর তরফে আমার ওপর ক্রদ্ধ হওয়ার যথেষ্ট কারণ ছিল। কেননা আমি আমার কলামে নিয়মিত তাঁর সমালোচনা করতাম, তাঁর অহংবোধ আর ঔদ্ধত্যকে উপহাস করতাম,

অনেক বছর আগের কথা। কলকাতার একটি নামজাদা বাণিজ্যিক সংস্থা একবার স্থির করল পুজোর আগে তারা একটি স্মরণিকা প্রকাশ করবে। আমার কাছে অনুরোধ এল কলকাতায় দুর্গাপুজোর ইতিহাস নিয়ে একটি নিবন্ধ লেখার।

নো নিউজ ইজ গুড নিউজ। সেই কবে থেকে শুনছি, আপনারাও নিশ্চয়ই শুনেছেন। এর গূঢ় অর্থটি হল, খবর মানেই দুঃসংবাদ, কোনও খবর না থাকার মানে কোনও দুঃসংবাদ নেই। যাক বাবা বাঁচা গেল!