স্ত্রী মৃণালিনীদেবীকে একটি চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন— ‘সকলেরই স্বতন্ত্র রুচি, অনুরাগ এবং অধিকারের বিষয় আছে।’তাঁর কথামতো আমরাও
Arts and Literature
-
-
‘এ সব ক্ষেত্রে এমনই হইয়া থাকে। মনটা আনচান করিয়া ওঠে। কু ডাকে। বলে নিশুতি রাতে পাড়ায় বেড়াইতে নাই। আমাদের পাড়াটা বীরভূম লাগোয়া
-
রবীন্দ্রনাথ যদি না জন্মাতেন, বাঙালির যা হাল, এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হতো দেওয়ালের টিকটিকিদের, যারা সারা বছর রবিচ্ছবির পিছনে আত্মগোপন
-
এর আগে আমি কখনই ভাবি নাই রবিনাথের জন্ম না হলে কী হতো! ও আচ্ছা, কথা শুরুর সঙ্গে বলে নিই — আমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে রবিনাথ বলে ডাকি, আর লিখি।
-
রবি ঠাকুর না জন্মালে আমাদের ছোটবেলায় সাধারণ মুসলিম ফ্যামিলিগুলোতে কিচ্ছু যায় আসত না। কারণ তখন কাজী নজরুল ইসলাম মুসলিম
-
আবার এসে গেল বাঙালির আদরের পঁচিশে বৈশাখ, প্রাণের পঁচিশে বৈশাখ, গানের পঁচিশে বৈশাখ। আরো কত রকমের পঁচিশে বৈশাখ!
-
তাহলে কি বত্রিশ বছর পরে কুম্ভে এসে রাস্তায় নামেননি কালকূট? আলবাত নেমেছিলেন। রোজ বিকেলে নিয়ম করে। সকালে লেখা। দুপুরে খাওয়ার পরে সামান্য বিশ্রাম,
-
কোথায় সেই প্রয়াগের প্রান্তরে তাঁবুর ভিতর বিচুলির বিছানা— ‘আর কোথায় হরিদ্বারের এই হোটেল!’ তিন মাস আগে চারগুণ ভাড়ার পুরোটা অগ্রিম দিয়ে
-
সস্ত্রীক কলকাতা থেকে কালকূট দিল্লিতে এসেছিলেন হরিদ্বার যাত্রার দু’দিন আগেই। হয় তিনি বুঝতে ভুল করেছিলেন, নয় আমাদের বুঝতে ভুল হয়েছিল।