সাংবাদিক সুমন চট্টোপাধ্যায়ের মতে, বিজেপি নেতৃত্ব কলকাতার পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে যে 'ড্রপবক্স' বা আবেদনপত্র জমা নেওয়ার ব্যবস্থা করেছে, তা একধরনের "বিশুদ্ধ ঢববাজি" ও রাজনৈতিক প্রবঞ্চনা ছাড়া কিছু নয় । সাধারণত যেভাবে রাজনৈতিক দলগুলি প্রার্থী ঠিক করে, এখানে তার চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও প্রতীকী এক পথ নেওয়া হয়েছে। বিপুল সংখ্যক টিকিটপ্রত্যাশী মানুষের মন শান্ত রাখতে এবং একটি 'প্রেসার কুকার' পরিস্থিতির মোকাবিলা করতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি । এছাড়া, কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা ১৪১ থেকে বাড়িয়ে ২০৯ করার পেছনে যথাযথ প্রশাসনিক ও জনমিতিগত (Census) প্রক্রিয়া কতটা মানা হয়েছে, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক সাক্ষাৎ

ভিডিওর অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে উঠে এসেছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সৌজন্য ও নেপথ্য সমীকরণের কথা। লক্ষ্মীপুজোর দিন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর যাওয়া এবং দুই নেতার পারস্পরিক প্রশংসাসূচক মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন গুঞ্জনের জন্ম দিয়েছে। তবে এই সুসম্পর্ক বা কোনো সম্ভাব্য ঘরোয়া বোঝাপড়ার নেপথ্যে দলের অন্দরেই যে প্রবল বিরুদ্ধতা রয়েছে, সে কথাও স্পষ্ট করেছেন সুমন চট্টোপাধ্যায়। বিশেষ করে উত্তর কলকাতার রাজনীতিতে তাপস রায়ের সাথে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের তিক্ত সম্পর্কের জেরে এই ধরনের রাজনৈতিক সমীকরণ খুব একটা সহজে বাস্তবায়িত হওয়ার নয়।

পরিশেষে, সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলের শীর্ষস্তর পর্যন্ত—ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার প্রবণতা এবং রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণের এসব নানা কূটকাচালি বাংলার রাজনীতিকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে, তারই এক তীক্ষ্ণ ও নিরাসক্ত মূল্যায়ন উঠে এসেছে এই বিশ্লেষণে।

🔗 সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখতে পারেন এখানে: https://www.youtube.com/live/R99I6in_rIg