বাংলাস্ফিয়ার: কংগ্রেস যখন তরুণ ও জেন জ়ি ভোটারদের কাছে পৌঁছতে ধারাবাহিক চেষ্টা চালাচ্ছে, ঠিক তখনই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে এনএসইউআইয়ের পরাজয় নিয়ে কানহাইয়া কুমার ও বিনোদ জাখড়ের উপর অসন্তুষ্ট…
বাংলাস্ফিয়ার: কংগ্রেস যখন তরুণ ও জেন জ়ি ভোটারদের কাছে পৌঁছতে ধারাবাহিক চেষ্টা চালাচ্ছে, ঠিক তখনই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে এনএসইউআইয়ের পরাজয় নিয়ে কানহাইয়া কুমার ও বিনোদ জাখড়ের উপর অসন্তুষ্ট রাহুল গান্ধী। সূত্রের খবর, দুই নেতা লোকসভার বিরোধী দলনেতার কাছে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ নিয়ে তাঁদের সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন করেছেন রাহুল।
এনএসইউআই ছেড়ে নির্দল প্রার্থী হওয়া দীপাংশু শোকিনের সঙ্গে সমঝোতা করে কেন তাঁকে সংগঠনের টিকিট দেওয়া গেল না, তা নিয়েও জাখড় ও কানহাইয়াকে সরাসরি প্রশ্ন করেছেন রাহুল বলে জানা গিয়েছে। দুই নেতা তাঁকে জানিয়েছেন, শোকিন যে শর্তগুলি দিয়েছিলেন, সেগুলি যুক্তিসঙ্গত ছিল না। তবে সূত্রের দাবি, গোটা বিষয়টি যে ভাবে সামলানো হয়েছে, তাতে সন্তুষ্ট হননি রাহুল।
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের চার সদস্যের কেন্দ্রীয় প্যানেলে একটি পদেও জিততে পারেনি এনএসইউআই। আরএসএস-ঘনিষ্ঠ ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ বা এবিভিপি সভাপতি, সম্পাদক এবং যুগ্ম সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছে। সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন নির্দল প্রার্থী শোকিন।
শোকিন ২০২৩ সাল থেকে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয়। নিজের কলেজে ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২০২৩ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে এনএসইউআইয়ের হয়ে প্রচার করেছিলেন। ২০২৫ সালে সংগঠনের টিকিট চেয়েও মনোনয়ন পাননি। অভিযোগ, এ বছরও টিকিট না পাওয়ায় নির্দল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
তবে শোকিনকে এনএসইউআই টিকিট দেয়নি বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা খারিজ করেছেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অমিতাভ দুবে। এই দাবিকে মিথ্যা বলে এক্স-এ তিনি লিখেছেন, “তাঁকে সভাপতি পদের টিকিট দেওয়া হয়েছিল। তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। তার পরে নির্দল হিসেবে সহ-সভাপতি পদে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি সভাপতি হতে চাইবেন না কেন?”