রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়েছে টলিপাড়ার অন্দরেও। যার চূড়ান্ত রূপ ফুটে উঠেছে টলিউডের ব্যবস্থাপনা এবং ফেডারেশনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। শনিবারে পর রবিবারও টলিপাড়ার এই নির্বাচনে সশরীরে উপস্থিত থেকে সম্পূর্ণ ভোট প্রক্রিয়ার বাহ্যিক তদারকি করলেন বিশিষ্ট অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। ভোটের দ্বিতীয় দিনেও তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, টলিপাড়াকে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্নীতির ঊর্ধ্বে রাখতে এবং একটি স্থায়ী সমাধান আনতে তিনি বদ্ধপরিকর।

টেকনিশিয়ান স্টুডিয়ো চত্বরে আনন্দবাজার ডট কম-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিঠুন বলেন, “কারও যাতে কোনো অভিযোগ না থাকে, কেউ যাতে বলতে না পারে যে সে ভোট দিতে পারেনি এবং ভোট প্রক্রিয়ায় যেন কোনো রাজনীতির ছাপ না পড়ে, মূলত সেই উদ্দেশ্যেই আমি এখানে রয়েছি। ভোটার ছাড়া অন্য কেউ যাতে ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে, সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। রাজনৈতিকভাবে তদারকি করছি, তবে কাউকে বিরক্ত না করে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছেন, আমরা সেটাই অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলব।”

পাশাপাশি, নির্বাচনের ফলাফলের পর বিজয়ী প্রার্থীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে মহাগুরু বলেন, “যাঁরা নির্বাচনে জয়লাভ করছেন, তাঁদের বুঝতে হবে যে তাঁদের সবাই সমর্থন করেছেন। তাই সকলকেই মনে রাখতে হবে, অতীতে যেমন নোংরামি হয়েছে, তা যেন আর ভবিষ্যতে না হয়।” উল্লেখ্য, এর আগে স্বরূপ বিশ্বাসের পর টলিপাড়ার প্রথম ২৬টি গিল্ডের নির্বাচন এবং স্টুডিয়োপাড়া নিয়ে সরকারের বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিঠুন চক্রবর্তীর সক্রিয় উপস্থিতি ও নজরদারি গোটা শিল্পমহলে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ ও জল্পনার সৃষ্টি করেছে।