
ফেয়ার অ্যান্ড লাভলির দেশ
মহিনের ঘোড়াগুলির নায়ক গৌতম চট্টোপাধ্যায় তাঁর একটি অবিস্মরণীয় গানে একটি প্রশ্ন উসকে দিয়েছিলেন, ‘ভেবে দেখেছ কী, তারারাও কত আলোকবর্ষ দূরে?’
পশ্চিমবঙ্গযাচাইকৃত তারিখ পাওয়া যায়নিকলকাতা · বিশুদ্ধসিদ্ধান্ত
বাংলাদেশ১১ কার্তিক ১৪৩৩ঢাকা · সংশোধিত ক্যালেন্ডার
পশ্চিমবঙ্গের পঞ্জিকা-উৎস ↗
সম্পাদক
Editor
কলকাতা
সুমন চট্টোপাধ্যায় (জন্ম: ২৩ অক্টোবর ১৯৫৭) একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সাংবাদিক, সম্পাদক এবং লেখক, যিনি তাঁর তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ ও অনন্য রচনাশৈলীর জন্য সুপরিচিত। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইতিহাসে স্নাতক সম্পন্ন করে ১৯৮১ সালে আজকাল পত্রিকায় যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তিনি সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন এবং পরবর্তীতে দীর্ঘ ২৫ বছর আনন্দবাজার পত্রিকা-র কার্যকরী সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ভারত ও শ্রীলঙ্কার নির্বাচন, ভূ-রাজনীতি ও সন্ত্রাসবাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সাহসিকতার সাথে কভার করার পাশাপাশি স্টার আনন্দ, কলকাতা টিভি ও তারা বাংলার মতো টেলিভিশন মাধ্যমেও যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি নিজস্ব সংবাদপত্র একদিন চালু করেন এবং ২০১২ সালে 'দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া' গ্রুপের বাংলা দৈনিক এই সময়-এর প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি তাঁর নিজস্ব ব্লগ 'বাংলাস্ফিয়ার' (Banglasphere)-এ নিয়মিত বস্তুনিষ্ঠ লেখা ও মতামত প্রকাশ করে যাচ্ছেন এবং সাংবাদিকতার পাশাপাশি সমাজ ও রাজনীতি নিয়ে মাই ডেট উইথ হিস্ট্রি, প্রথম নাগরিক, সেদিনের সপ্তারোহী ও গুমঘর গুলজার-এর মতো বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন।

মহিনের ঘোড়াগুলির নায়ক গৌতম চট্টোপাধ্যায় তাঁর একটি অবিস্মরণীয় গানে একটি প্রশ্ন উসকে দিয়েছিলেন, ‘ভেবে দেখেছ কী, তারারাও কত আলোকবর্ষ দূরে?’

নবনীতা দেব সেন নিজের কথা বলতে গিয়ে একদা লিখেছিলেন,’ আমি এক চোখে হাসি, অন্য চোখে কাঁদি।’ সন্ধ্যে সাড়ে সাতটা থেকে ভোর সাড়ে তিনটে

খেলাটার মাঝপথে ভাগ্যিস ঘুমিয়ে পড়েছিলাম! ক্যামেরুনের কাছে ব্রাজিল এক গোলে হারল, চোখের সামনে দেখতে হয়নি।

আমার বয়সে আসল শয্যা-সঙ্গিনী হোল ঘুমের ওষুধ। ঘুম বিনে গতি নেই, ওষুধ বিনে ঘুম নেই। পরশু রাতে আর্জেন্তিনা-পোলান্ডের ম্যাচ

দ্বিতীয় গোলটি হজম করার পরে গ্যালারির মেক্সিকান অংশটি থেকে একটি স্লোগান বারেবারে উঠছিল, আপনারা শুনেছেন কি? ‘ফুয়েরা তাতা’, ‘ফুয়েরা তাতা।

সাকুল্যে দিন সাতেকের সফর, দেখব তিনটি ম্যাচ, একই স্টেডিয়ামে। একটা সেমিফাইনাল, থার্ড-ফোর্থ নির্বাচনের ম্যাচ, সবশেষে ফাইনাল।

ব্রাজিল! নামটা শুনলে, ২৮ বছর পরে এখনও আমি মাঝেমাঝেই আঁতকে উঠি, মনটা ভারী হয়ে ওঠে, নিজের অবিমৃষ্যকারিতার কথা স্মরণ করে

আকিরো কুরোসাওয়ার ‘ দ্য সেভেন সামুরাই’ দেখেছেন? না দেখে থাকলে অন্যায় করেছেন তবে তার জন্য আক্ষেপ করার প্রয়োজন নেই।

ইরান-ইংল্যান্ড ম্যাচে শেষ পর্যন্ত জিতল কে? প্রশ্নটি অদ্ভুত শোনালেও গভীর তাৎপর্যপূর্ণ।বিশ্বকাপ ফুটবলের স্কোর কার্ডে লেখা থাকবে ইংল্যান্ড ৬-২ গোলে জিতেছে।

কলেজে উঠে, মানে যৌবন নিকুঞ্জে পাখি গেয়ে ওঠা শুরু করলে নতুন ভয়ের সন্ধান পাওয়া গেল। প্রেমে প্রত্যাখানের।

আমার বাড়ির খুব কাছেই লেক গার্ডেন্স রেল-স্টেশন। নিরিবিলি, ছিমছাম, প্রেমের আদর্শ জায়গা। এ লাইনে খুব বেশি ট্রেন চলে না, রাতের ট্রেনের হর্নের গমগমে আওয়াজ আমি বিছানায় বসে শুনতে পাই।
পাঠকসংখ্যা বুঝতে Google Analytics ব্যবহার করতে চাই। অনুমতি দিলে Google আপনার দেখা পাতা ও ব্যবহারসংক্রান্ত তথ্য পাবে এবং ব্রাউজারে Analytics কুকি রাখবে। না বললেও সাইট ব্যবহার করতে পারবেন। পছন্দ পরে বদলানো যাবে।
Google-এর গোপনীয়তা নীতি