
ভোট আসতে যাবতীয় দুশ্চিন্তা ঘুচে গেল অনিলদার
(ভোট চলছে বঙ্গে। কিছুকাল আগে পর্যন্ত এঁদের সরব উপস্থিতি ব্যতিরেকে বঙ্গে ভোট-রঙ্গের কথা ভাবাই যেত না। তাঁরা নেই, আবার আছেনও
পশ্চিমবঙ্গযাচাইকৃত তারিখ পাওয়া যায়নিকলকাতা · বিশুদ্ধসিদ্ধান্ত
বাংলাদেশ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ঢাকা · সংশোধিত ক্যালেন্ডার
পশ্চিমবঙ্গের পঞ্জিকা-উৎস ↗
(ভোট চলছে বঙ্গে। কিছুকাল আগে পর্যন্ত এঁদের সরব উপস্থিতি ব্যতিরেকে বঙ্গে ভোট-রঙ্গের কথা ভাবাই যেত না। তাঁরা নেই, আবার আছেনও

(ভোট চলছে বঙ্গে। কিছুকাল আগে পর্যন্ত এঁদের সরব উপস্থিতি ব্যতিরেকে বঙ্গে ভোট-রঙ্গের কথা ভাবাই যেত না। তাঁরা নেই, আবার আছেনও

(ভোট চলছে বঙ্গে। কিছুকাল আগে পর্যন্ত এঁদের সরব উপস্থিতি ব্যতিরেকে বঙ্গে ভোট-রঙ্গের কথা ভাবাই যেত না। তাঁরা নেই, আবার আছেনও

১৯৮৯ সালটির গুরুত্ব নিয়ে টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত নিবন্ধের এটাই ছিল শিরোনাম। ষোলো আনা যথার্থ।

সন্ধ্যা নেমেছে, আরতির ঘণ্টাধ্বনি কানে আসছে। সারাটা দিন গ্রামে গ্রামে ঘোরার পরে বেনারসে এসে হোটেলে সবে চেক-ইন করেছি, ঘামে ভেজা জামা-কাপড় তখনও গায়ে।

ইতিহাসের কি সত্যিই পুনরাবৃত্তি হয়? বলা কঠিন। তবু কখনও-সখনও দু’টি অভিজ্ঞতায় আশ্চর্য মিল দেখে সত্যিই মনে হয়,

প্রধানমন্ত্রীর সহযাত্রী-দলে আমি একাই সাংবাদিক, যা কিছু দেখছি, যা কিছু শুনছি, তারপর সন্ধেবেলায় রিপোর্ট করছি, সবটাই আমার ‘এক্সক্লুসিভ’, একবারে যেন অরক্ষিত গোলে বলটা গড়িয়ে দেওয়া।

আমার তৈরি প্রশ্নমালাটি মণিশঙ্কর আইয়ারের মোটেই পছন্দ হল না। অবশ্য তার কারণও ছিল, অর্ধেকের বেশি প্রশ্ন ছিল চোখাচোখা, চরম অস্বস্তিকর।

অফিসে ফেরা মাত্র গুণধরদা প্রায় দৌড়ে এলেন আমার কাছে। কানের কাছে মুখ এনে ফিসফিস করে বললেন, ‘এক্ষুনি বাবুর ঘরে যান,

তখন ভোর রাত, তিনটে-সাড়ে তিনটে হবে।আনন্দবাজার রিপোর্টিংয়ে নাইট ডিউটিতে থাকা আমার এক সহকর্মী একটি অপ্রত্যাশিত ভোটের ফল জানতে পেরে টেলিফোন ঘোরালেন।

দিন কতক আগে ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেছিলাম, লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পরে দিল্লিতে মদের দোকানের সামনে লম্বা লাইন। শিরোনামে লিখেছিলাম, ‘হে মোর দুর্ভাগা দেশ’।

আরও অনেক কিছুর সঙ্গে হোয়াটস অ্যাপ একটি অতি জরুরি কাজ করে থাকে। ভুলতে না দেওয়া। এই যে গতকাল অক্ষয় তৃতীয়া ছিল, আমার তা মনেই ছিল না, কয়েক জন বন্ধুর মেসেজ মনে করিয়ে দিল।