বাংলাস্ফিয়ার: বনগাঁ আদালত থেকে নিস্তার পেলেন না তনয় শাস্ত্রী (দাস)। টলিউড তারকা মিমি চক্রবর্তীকে হেনস্থা করার পুরনো মামলায় চার দিনের জেল হেফাজতের শেষে আবার তাঁকে আদালতে তোলা হয়। কোর্টে সরকারী আইনজীবী সমীর দাস তনয় শাস্ত্রীকে পুলিশের অভিযোগের ভিত্তিতে আবার সাত দিনের হেফাজতের আবেদন জানায়। পুলিশকে হেনস্থা এবং সরকারী কাজে বাধা দেওয়ার জন্যই এই আর্জি। তনয়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন বিচারক। এর পাশাপাশি, মিমি চক্রবর্তীর মামলায় শ্লীলতাহানির ধারা যোগ করারও আবেদন উঠে আসে। বনগাঁ আদালতের বিচারক তনয়ের উকিলের কথা শোনার পর, প্রস্তাবিত শাস্তি কমিয়ে তনয়কে চার দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। অভিনেত্রীর প্রসঙ্গ পূর্ণ বিবেচনা করে, তিনি পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে এই মামলায় তনয়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির ধারা (৭৪ বিএনএস) যুক্ত করেন। একইসঙ্গে তাঁকে ‘সোন অ্যারেস্ট’-এর অনুমতিও দিয়েছেন বিচারক। বনগাঁ আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর সমীর দাস জানান, আগামী ৬ তারিখ মিমি চক্রবর্তীকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এসে গোপন জবানবন্দি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও আদালত কক্ষ থেকে বেরোনোর সময় তনয় শাস্ত্রী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই জানান, “আইনের প্রতি আমার পূর্ণ ভরসা আছে।”
বাইট _ সমীর দাস ( স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর বনগাঁ মহকুমা আদালত )