5
বাংলাস্ফিয়ার: হিপ-হপ সংগীতের অন্যতম পথিকৃৎ আফ্রিকা বাম্বাটা ৬৮ বছর বয়সে ক্যান্সারের জটিলতায় মারা গেছেন। “প্ল্যানেট রক” গানের জন্য বিখ্যাত এই শিল্পী “ইউনিভার্সাল জুলু নেশন”-এর প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন। সংগীত ও সংস্কৃতিতে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্ক তাঁকে একটি জটিল চরিত্রে পরিণত করেছে।
সত্তরের দশকে নিউ ইয়র্কের দক্ষিণ ব্রংক্সের হিপ-হপ দৃশ্যপটে বাম্বাটা একজন ডিজে ও উদ্ভাবক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৮২ সালে তাঁর “প্ল্যানেট রক” গানটি হিপ-হপকে ইলেকট্রনিক সংগীতের সাথে মিলিয়ে দেয় এবং ইলেকট্রো, পপ ও আরঅ্যান্ডবি-সহ নানা ঘরানায় গভীর প্রভাব ফেলে। সত্তর ও আশির দশকে তিনি ফাংক ও ইলেকট্রনিক সংগীতকে একসাথে মিলিয়ে এমন একটি নতুন সুর তৈরি করেছিলেন, যা আধুনিক সংগীতের চেহারাই বদলে দিয়েছে। ১৯৭৩ সালে তিনি “ইউনিভার্সাল জুলু নেশন” প্রতিষ্ঠা করেন, যার উদ্দেশ্য ছিল হিপ-হপের মাধ্যমে শান্তি, ঐক্য ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।
কিন্তু তাঁর জীবন কেবল সাফল্য ও অনুপ্রেরণার গল্প নয়। ২০১৬ সালে তরুণ নেতা হিসেবে কাজ করার সময়কার যৌন নিপীড়নের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে এবং হিপ-হপ সম্প্রদায়ে তাঁর উত্তরাধিকার সম্পর্কে ধারণা সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন, তবে এই অভিযোগগুলো তাঁর উজ্জ্বল পরিচয়কে স্থায়ীভাবে ম্লান করে দিয়েছে।
তাঁর মৃত্যু অনেকের মনে মিশ্র অনুভূতি জাগিয়েছে। অনেকে তাঁকে একজন বিপ্লবী শিল্পী হিসেবে দেখেন, আবার অনেকে তাঁকে গভীরভাবে বিতর্কিত একজন মানুষ হিসেবে চেনেন। তাঁর মৃত্যুর পর সংগীত জগতে জবাবদিহিতা ও উত্তরাধিকার নিয়ে আলোচনা আবারও জোরালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যে সমাজ ন্যায়বিচার ও মেরামতের জন্য লড়াই করছে, সেই সমাজ কীভাবে এমন একজন মানুষের স্মৃতিকে সামলাবে যিনি একাধারে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন এবং ক্ষতিও করেছেন — এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি হয়ে পড়েছে।
সত্তরের দশকে নিউ ইয়র্কের দক্ষিণ ব্রংক্সের হিপ-হপ দৃশ্যপটে বাম্বাটা একজন ডিজে ও উদ্ভাবক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৮২ সালে তাঁর “প্ল্যানেট রক” গানটি হিপ-হপকে ইলেকট্রনিক সংগীতের সাথে মিলিয়ে দেয় এবং ইলেকট্রো, পপ ও আরঅ্যান্ডবি-সহ নানা ঘরানায় গভীর প্রভাব ফেলে। সত্তর ও আশির দশকে তিনি ফাংক ও ইলেকট্রনিক সংগীতকে একসাথে মিলিয়ে এমন একটি নতুন সুর তৈরি করেছিলেন, যা আধুনিক সংগীতের চেহারাই বদলে দিয়েছে। ১৯৭৩ সালে তিনি “ইউনিভার্সাল জুলু নেশন” প্রতিষ্ঠা করেন, যার উদ্দেশ্য ছিল হিপ-হপের মাধ্যমে শান্তি, ঐক্য ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।
কিন্তু তাঁর জীবন কেবল সাফল্য ও অনুপ্রেরণার গল্প নয়। ২০১৬ সালে তরুণ নেতা হিসেবে কাজ করার সময়কার যৌন নিপীড়নের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে এবং হিপ-হপ সম্প্রদায়ে তাঁর উত্তরাধিকার সম্পর্কে ধারণা সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন, তবে এই অভিযোগগুলো তাঁর উজ্জ্বল পরিচয়কে স্থায়ীভাবে ম্লান করে দিয়েছে।
তাঁর মৃত্যু অনেকের মনে মিশ্র অনুভূতি জাগিয়েছে। অনেকে তাঁকে একজন বিপ্লবী শিল্পী হিসেবে দেখেন, আবার অনেকে তাঁকে গভীরভাবে বিতর্কিত একজন মানুষ হিসেবে চেনেন। তাঁর মৃত্যুর পর সংগীত জগতে জবাবদিহিতা ও উত্তরাধিকার নিয়ে আলোচনা আবারও জোরালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যে সমাজ ন্যায়বিচার ও মেরামতের জন্য লড়াই করছে, সেই সমাজ কীভাবে এমন একজন মানুষের স্মৃতিকে সামলাবে যিনি একাধারে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন এবং ক্ষতিও করেছেন — এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি হয়ে পড়েছে।