Home খবর নেতানিয়াহুর কথা শুনেই ট্রাম্প ফেঁসেছেন

নেতানিয়াহুর কথা শুনেই ট্রাম্প ফেঁসেছেন

0 comments 9 views
A+A-
Reset

বাংলাস্ফিয়ার— আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ ইরান হামলা শুরু হওয়ার মাত্র ৪৮ ঘণ্টারও কম সময় আগে, প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু  প্রেসিডেন্ট  ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে—ফোনে কথা বলেন।একটি জটিল, দূরবর্তী যুদ্ধ শুরু করার কারণ ব্যাখ্যা করতে, যে ধরনের যুদ্ধের বিরুদ্ধেই একসময় প্রচার করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু দু’জনেই সপ্তাহের শুরুতেই গোয়েন্দা ব্রিফিং থেকে জেনেছিলেন যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা  আলি খামেনি এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা খুব শিগগিরই তেহরানে তাঁর বাড়ির প্রাঙ্গনে বৈঠকে বসবেন, তাঁকে নিকেশ করে দেওয়ার এমন সুযোগ আর আসবেনা। অর্থাৎ একটি “ডিক্যাপিটেশন স্ট্রাইক”- এমন এক হামলা, যার লক্ষ‍্য হবে সরাসরি একটি দেশের শীর্ষ নেতৃত্বকে খতম করে দেবে। ইজরায়েলিরা এমন নৃশংস অভিযান প্রায়শই  করে থাকলেও আমেরিকা তুলনামূলকভাবে কমই ব্যবহার করেছে।

কিন্তু নতুন গোয়েন্দা তথ্য জানাচ্ছিল, বৈঠকের সময়সূচি বদলে গিয়ে শনিবার রাতের বদলে শনিবার সকালেই এগিয়ে আনা হয়েছে। রয়টার্সকে এমনটাই জানিয়েছেন এই অতি গোপন ফোনালাপ সম্পর্কে অবগত তিনজন ব্যক্তি।

এই ফোনালাপ আগে কখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

নেতানিয়াহু,যিনি বহু দশক ধরে এমন একটি অভিযানের পক্ষে সওয়াল করে আসছিলেন,জোর দিয়ে বলেন, খামেনেইকে হত্যা করার এবং ট্রাম্পকে হত্যার পূর্ববর্তী ইরানি প্রচেষ্টার প্রতিশোধ নেওয়ার এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর নাও আসতে পারে। অভিযোগ ২০২৪ সালে ট্রাম্প যখন দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট পদ-প্রার্থী ইরান নাকি সে সময় তাঁকে মারার জন‍্য ‘মার্ডার-ফর-হায়ারের’ ষড়যন্ত্র করেছিল।

মার্কিন বিচার বিভাগ অভিযোগ এনেছে, এক পাকিস্তানি ব্যক্তি এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আমেরিকায় লোক নিয়োগের চেষ্টা করেছিল। এই পরিকল্পনার  উদ্দেশ্য ছিল কাসেম সোলেমানির হত‍্যার বদলা নেওয়া।

ফোনালাপের আগেই অবশ‍্য ট্রাম্প  ইরানের বিরুদ্ধে একটি সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তাব অনুমোদন করেছিলেন  কিন্তু কখন বা কী পরিস্থিতিতে আমেরিকা এতে সরাসরি জড়াবে তা তখনও স্থির করেননি। রয়টার্সকে এমনটাই জানিয়েছেন ওই তিন সূত্র।

কয়েক সপ্তাহ ধরেই মার্কিন সেনাবাহিনী ওই অঞ্চলে নিজেদের উপস্থিতি জোরদার করছিল যার ফলে প্রশাসনের ভিতরে অনেকেই মনে করতে শুরু করেছিলেন, এখন আর প্রশ্ন হবে কী হবে না-র নয় বরং ‘কখন প্রেসিডেন্ট এগোবেন’। কয়েক দিন আগেই একটি সম্ভাব্য তারিখ খারাপ আবহাওয়ার কারণে বাতিল হয়ে গিয়েছিল।

নেতানিয়াহুর যুক্তি ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে কতটা প্রভাবিত করেছিল তা জানা যায়নি। তবে এই ফোনালাপের পরেই  কার্যত মার্কিন প্রেসিডেন্টে আর বিলম্ব না করার সিদ্ধান্তটি নিয়ে ফেলেন। ফোনালাপ সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্রের মতে,এই কথোপকথন এবং ইরানের নেতাকে হত্যার সুযোগ দ্রুত ফুরিয়ে আসছে এমন গোয়েন্দা তথ্য ট্রাম্পের ২৭ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এগিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হয়ে ওঠে।

ট্রাম্প ইতিহাস গড়তে পারেন—পশ্চিমি দুনিয়া এবং বহু ইরানির কাছে দীর্ঘদিন ধরে ঘৃণিত এক নেতৃত্বকে সরিয়ে দিয়ে—এমনটাই যুক্তি দেন নেতানিয়াহু। এমনকি তিনি বলেন, ইরানের মানুষ রাস্তায় নেমে আসতে পারে এবং ১৯৭৯ সাল থেকে দেশ শাসন করে আসা ধর্মতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে উৎখাত করতে পারে, যে ব্যবস্থাকে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ ও অস্থিতিশীলতার অন্যতম উৎস হিসেবে দেখা হয়।

প্রথম বোমা পড়তে শুরু করে শনিবার সকাল, ২৮ ফেব্রুয়ারি। সেদিন সন্ধ্যায় ট্রাম্প ঘোষণা করেন,খামেনেই নিহত হয়েছেন।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি ফোনালাপের প্রসঙ্গে সরাসরি কিছু না বললেও রয়টার্সকে জানান এই সামরিক অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল “ইরানি কর্তৃপক্ষের ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং উৎপাদন ক্ষমতা ধ্বংস করা, তাদের নৌবাহিনী নিশ্চিহ্ন করা, তাদের প্রক্সি বাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহের ক্ষমতা শেষ করে দেওয়া। সর্বোপরি এটা নিশ্চিত করা যে ইরান আর কথনও যাতে পরমাণু বোমা বানানোর চেষ্টাটুকু না করতে পারে।

নেতানিয়াহুর দফতর কিংবা রাষ্ট্রপুঞ্জে ইরানের প্রতিনিধি কেউই প্রতিক্রিয়া জানানোর অনুরোধে সাড়া দেয়নি।

বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে  নেতানিয়াহু দাবি করেন তাঁর দেশ আমেরিকাকে এই যুদ্ধ শুরু করতে প্ররোচিত করেছে এটা সম্পূর্ণ ভুয়ো তিনি বলেন, “কেউ কি সত্যিই ভাবতে পারে, কেউ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে কী করতে হবে তা বলে দিতে পারে?

ট্রাম্প প্রকাশ্যেই বলেছেন, হামলার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁর নিজের।

রয়টার্সের রিপোর্টের সারাৎসার হোল  দুই  নেতার ঘনিষ্ঠ সূত্র এবং কর্মকর্তারা যখন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অবস্থায় কথা বলেছেন তখন ধরেই নিতে হবে নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে যুদ্ধে যেতে এক রকম বাধ্য করেছিলেন। অর্থাৎ নেতানিয়াহু এমনভাবে খামেইনিকে মারার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া না করার পক্ষে যুক্তি সাজিয়েছিলেন যে ট্রাম্প আর দ্বিধাগ্রস্ত থাকতে পারেননি, তৎক্ষনাৎ আক্রমনের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছিলেন।মার্কিন প্রেসিডেন্ট কী ধাতুতে গড়া মানুষ, তাঁর অতলান্ত অহংবোধ, ইতিহাসে নাম রেখে যাওয়ার চিরন্তন বাসনা ইত‍্যাদি সম্পর্কে নেতানিয়াহু বিলক্ষণ অবগত আছেন। ফলে সঠিক সময়ে সঠিক মন্ত্রটি তিনি গুছিয়ে ট্রাম্পের কর্ণকুহরে ঢেলে দিয়েছিলেন।

মার্চের শুরুতে প্রতিরক্ষা সচিব  পিট হেসেই ইঙ্গিত দেন, প্রতিশোধ অন্তত আংশিকভাবে এই অভিযানের একটি উদ্দেশ্য ছিল। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “ইরান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, আর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শেষ হাসি হেসেছেন।”

২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প তাঁর প্রথম প্রশাসনের “আমেরিকা ফার্স্ট” বিদেশনীতির ওপর জোর দিয়েছিলেন এবং প্রকাশ্যে বলেছিলেন, তিনি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এড়িয়ে কূটনৈতিক পথে সমস্যার সমাধান করতে চান।

কিন্তু গত বসন্তে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা কোনও মীমাংসায় পৌঁছলনা দেখে, ট্রাম্প একটি হামলার কথা ভাবতে শুরু করেন।

প্রথম আঘাত আসে জুন মাসে, যখন ইজরায়েল অকস্মাৎ ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র এবং মিসাইল ঘাঁটিতে বোমা বর্ষণ করে এবং কয়েকজন ইরানি নেতাকে হত্যা করে। পরে মার্কিন বাহিনীও সেই অভিযানে যোগ দেয়। ১২ দিনের সেই যৌথ অভিযান শেষ হওয়ার পর ট্রাম্প প্রকাশ্যে তার সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং স্বভাবসুলভ অতিকথনে দাবি করেন , ইরানের পারমাণবিক শক্তি “সম্পূর্ণ ধ্বংস” করে দেওয়া হয়েছে।

এর কয়েক মাস পর আবার আমেরিকা ও ইজরায়েলের মধ‍্যে  আলোচনা শুরু হয় ফের  বিমান হামলার পরিকল্পনা নিয়ে।এবার আলোচ‍্য বিষয় ছিলআরও মিসাইল ঘাঁটিতে আঘাত হানা এবং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখা।

ইসরায়েলিরা খামেনেইকেও হত্যা করতে চেয়েছিল। কেননা দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি এমন একজ প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন যিনি বারবার ইজরায়েলে  মিসাইল নিক্ষেপ করেছেন এবং দেশটিকে ঘিরে থাকা শক্তিশালী প্রক্সি বাহিনীকে সমর্থন দিয়ে গিয়েছেন।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী  ৫ মার্চ এন১২ নিউজকে জানান, তারা প্রথমে ধরে নিয়েই পরিকল্পনা শুরু করেছিল যে এই হামলা তারা একাই চালাবে।

কিন্তু ডিসেম্বর মাসে ফ্লোরিডার মার-আ-লাগো এস্টেটে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে নেতানিয়াহু জানান, জুনের যৌথ অভিযানের ফলাফলে তিনি পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন, আবার আক্রমন জরুরি।

ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন যে তাঁর নীতিগত আপত্তি নেই তবে দ্বিতীয় অভিযানের আগে তিনি  আরেক দফা কূটনৈতিক আলোচনাও করতে চান।

দুটি ঘটনা ট্রাম্পকে আবার ইরানে হামলার দিকে ঠেলে দেয়,এমনটাই জানিয়েছেন একাধিক মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তা ও কূটনীতিক।

প্রথম ঘটনাটি ঘটে ৩ জানুয়ারি যেদিন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আমেরিকা প্রায় নির্ঝঞ্ঝাটে  কারাকাস থেকে তুলে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়। ওই সফল অভিযানে  কোনও মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়নি। আপ্লুত ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত‍্যয় দৃঢ় হয়ে যে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এড়িয়ে এমন উচ্চাভিলাষী সামরিক অভিযান সম্ভব।

এর পরের মাসেই ইরানে ব্যাপক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়, যার বিরুদ্ধে ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড  কঠোর দমননীতি চালিয়ে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে। ট্রাম্প প্রতিবাদীদের সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু প্রকাশ্যে তেমন কিছুই করেননি।

তবে গোপনে ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং মার্কিন সেনাবাহিনীর পশ্চিম এশিয়া  কমান্ড—সেন্টকম—এর মধ্যে সহযোগিতা তীব্র হয়, এবং গোপন বৈঠকে যৌথ সামরিক পরিকল্পনা তৈরি হতে থাকে।

এর কিছুদিন পর, ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটন সফরে নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ইরানের ক্রমবর্ধমান ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফ করেন এবং নির্দিষ্ট জায়গার দৃষ্টান্ত দেখিয়ে নিজের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি  এমনটিও বলেন ইরান এই কর্মসূচি সফল করতে পারলে মার্কিন ভূখন্ডে আর নিরাপদ থাকবেনা।

ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ, বহু মার্কিন কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক কূটনীতিক মনে করছিলেন, ইরানের ওপর মার্কিন হামলা প্রায় নিশ্চিত, যদিও বিস্তারিত তখনও অনিশ্চিত।

ট্রাম্প পেন্টাগন ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে একটি সফল হামলার সম্ভাব্য লাভ,বিশেষত ইরানের মিসাইল কর্মসূচি ধ্বংস সম্পর্কে ব্রিফিং পান।

ফোনালাপের আগে, ২৪ ফেব্রুয়ারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের এক ক্ষুদ্র গোষ্ঠীকে জানান, আমেরিকা  অংশগ্রহণ করুক বা না করুক ইজরায়েল  সম্ভবত ইরানে হামলা চালাবে এবং ইরান তখন মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা আঘাত হানতে পারে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মূল্যায়ন ছিল এমন হামলা সত্যিই আমেরিকার কূটনৈতিক ও সামরিক ঘাঁটি এবং উপসাগরীয় মিত্রদের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ ডেকে আনবে।

এই পূর্বাভাস সত্যি প্রমাণিত হয়। হামলার ফলে ইরানের পাল্টা আঘাত, ২৩০০-র বেশি ইরানি নাগরিকের মৃত্যু, অন্তত ১৩ জন মার্কিন সেনার মৃত্যু, উপসাগরীয় মিত্রদের ওপর হামলা, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং তেলের দামে ঐতিহাসিক উল্লম্ফন—সবই ইতিমধ্যেই ঘটেছে।

ট্রাম্পকে আরও ব্রিফ করা হয়েছিল যে, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যা করলে (যদিও সম্ভাবনা কম) তেহরানে এমন একটি সরকার আসতে পারে, যারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় বেশি আগ্রহী হবে।

এই ‘রেজিম চেঞ্জ’-এর সম্ভাবনাও নেতানিয়াহুর ফোনালাপের অন্যতম যুক্তি ছিল।

তবে এই মতের সঙ্গে একমত ছিল না সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ), যারা মনে করেছিল, খামেনেই নিহত হলে তাঁর জায়গায় আরও কঠোরপন্থী কেউ আসতে পারে।

সিআইএ এই বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে।

খামেনেই নিহত হওয়ার পর ট্রাম্প বারবার বিদ্রোহের ডাক দিয়েছেন। কিন্তু যুদ্ধের চতুর্থ সপ্তাহে, যখন সমগ্র অঞ্চল সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে, তখনও ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড দেশের রাস্তায় টহল দিচ্ছে, এবং লক্ষ লক্ষ ইরানি ঘরের ভেতরে আশ্রয় নিয়ে রয়েছে।

খামেনেইর পুত্র মোজতবা খামেনি,যিনি তাঁর পিতার থেকেও বেশি কট্টর আমেরিকাবিরোধী হিসেবে পরিচিত—তাঁকেই ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ঘোষণা করা হয়েছে।

Author

You may also like

Leave a Comment

Description. online stores, news, magazine or review sites.

Edtior's Picks

Latest Articles