বাংলাস্ফিয়ারঃ ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার কমিউনিস্ট শাসনের ওপর চাপ ক্রমশ বাড়িয়ে তুলছে। বহু দশক ধরে দ্বীপদেশটি একদিকে সরকারি অব্যবস্থাপনা, অন্যদিকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞার দ্বৈত আঘাতে বিপর্যস্ত। চলতি বছরের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউস হুমকি দিয়েছে—যে কোনও দেশ যদি কিউবাকে তেল সরবরাহ করে, তবে তাদের ওপর শুল্ক আরোপ করা হবে। এর ফলে ভেনেজুয়েলা ও মেক্সিকো জ্বালানি রপ্তানি বন্ধ করেছে। ফলাফল—বিদ্যুৎ বিভ্রাট বেড়েছে, বহু ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, দৈনন্দিন জীবন আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর পিতামাতার জন্মভূমি কিউবাকে ৬৭ বছরের কমিউনিস্ট পার্টির শাসন থেকে মুক্ত দেখতে চান। প্রশাসন কিউবার রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতিকে প্রকৃত অর্থে উন্মুক্ত করার জন্য চাপ দিচ্ছে। সংবাদমাধ্যম Axios-এর দাবি, রুবিও নাকি প্রাক্তন নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর ভাই রাউল কাস্ত্রোর নাতির সঙ্গে গোপনে কথাবার্তা চালাচ্ছেন।
১৯৫৯ সাল থেকে একদলীয় শাসনে অভ্যস্ত একটি ব্যবস্থার ক্ষেত্রে যে কোনও ধরনের শাসন পরিবর্তনই হবে ঐতিহাসিক ঘটনা। কিউবার নেতৃত্ব ভেনেজুয়েলার তুলনায় বেশি আদর্শনিষ্ঠ এবং কাঠামোগতভাবে কিছুটা বিস্তৃত; তারা দীর্ঘমেয়াদি কৌশল খেলতে জানে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের হিসাব—অর্থনৈতিক বিপর্যয় এতটাই গভীর যে, এ বার আর সেই দীর্ঘ খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।