বাংলাস্ফিয়ার: জাপান সাগরের বুকে দুটি ছোট দ্বীপ—কিন্তু তাদের ঘিরে কূটনৈতিক উত্তাপ বহু দশকের। দক্ষিণ কোরিয়ার দাবি, ১৯০৫ সালে জাপান বেআইনিভাবে “ডোকদো” দখল করে নিয়েছিল। অন্যদিকে জাপানের বক্তব্য, ১৯৫০-এর দশক থেকে দক্ষিণ কোরিয়া “তাকেশিমা”কে অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে।
২০০৫ সালে চালু হওয়া জাপানের বার্ষিক “তাকেশিমা দিবস”, যা এ বছর রবিবার পড়ছে, মূলত তাদের সার্বভৌমত্বের দাবিকে জোরদার করার উদ্দেশ্যেই পালিত হয়। ২০১৩ সাল থেকে শিমানে প্রিফেকচারে—দ্বীপগুলোর নিকটতম প্রশাসনিক অঞ্চল—অনুষ্ঠানে সরকার কেবলমাত্র জুনিয়র মন্ত্রীদের পাঠিয়ে আসছে। গত বছর বিপুল ব্যবধানে নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসা জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ে ঘোষণা করেছিলেন, একজন মন্ত্রিসভার সদস্যের উচিত “গর্বের সঙ্গে উপস্থিত থাকা”। দক্ষিণ কোরিয়া তা যে স্পষ্ট উসকানি হিসেবে নেবে, তা বলাই বাহুল্য।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকাইচি অপেক্ষাকৃত শান্ত পথই বেছে নিয়েছেন। গত অক্টোবর তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং-এর সঙ্গে “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন”-এ সম্মত হন। দু’জনেই ড্রাম বাজান—জানুয়ারিতে তারা একসঙ্গে পারফর্মও করেছেন। তাকেশিমা প্রসঙ্গেও তাকাইচি আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন: গত বছরের মতো এবারও একই নিম্নপদস্থ মন্ত্রীকেই অনুষ্ঠানে পাঠানো হচ্ছে।