বাংলাস্ফিয়ার: ফুটবল মাঠে সাংস্কৃতিক মঞ্চের শিলান্যাস ঘিরে চরম উত্তেজনা। বিধায়ক-উন্নয়ন তহবিলের টাকায়. এই মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হতেই দুস্কৃতীদের তাণ্ডবের অভিযোগ সামনে এসেছে। বিজেপি বিধায়কের অনুযোগ, এই হামলার ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে স্থানীয় তৃণমূলের. হাত। তৃণমূল পাল্টা দাবি করছে —এটা রাজনৈতিক হামলা নয়, গ্রামবাসীদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। ঘটনাটি বাঁকুড়ার সোনামুখী বিধানসভার নিমাইনগর গ্রামের।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন সোনামুখীর বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামী। অভিযোগ, শিলান্যাসের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর বিধায়ক সেই স্থান ছাড়তেই একদল দুস্কৃতী আচমকা হামলা চালায়। সেখানে থাকা চেয়ার, টেবিল, মাইক, বাদ্যযন্ত্র ও টোটো ভাঙচুর করার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত গ্রামবাসীদেরও মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।
তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, এটি রাজনৈতিক হামলা নয়। দীর্ঘ সাড়ে চার বছরে বিজেপি বিধায়ককে এলাকায় একটিবারও দেখা যায়নি বলেই ক্ষুব্ধ স্থানীয় মানুষ। এবং সেই ক্ষোভ ঘিরেই এই উত্তেজনা বলে দাবি শাসক শিবিরের নেতাকর্মীদের।
যদিও এই অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের বিধায়ক তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, স্থানীয়দের অনুরোধেই মঞ্চ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং তাতে খুশি গ্রামবাসীরা। পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন বিধায়কও তিনি বলেন, তাহলে গত ১৫ বছরে কেন এই মঞ্চ তৈরি করতে পারেনি তৃণমূল?
এই শিলান্যাসকে ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। হামলা নাকি জনরোষ—সত্যি কী? তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠছে।