Home সুমন নামা প্রয়াত নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা জেসি জ্যাকসন

প্রয়াত নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা জেসি জ্যাকসন

by Ankita Senapati
0 comments 51 views
A+A-
Reset

বাংলাস্ফিয়ার: মার্কিন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা এবং বিশিষ্ট বাপ্তিস্ট প্রচারক রেভারেন্ড জেসি জ্যাকসন মঙ্গলবার ভোরে প্রয়াত হয়েছেন। বয়স হয়েছিল ৮৪। মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের সহযোগী, জ্যাকসন ১৯৮০-এর দশকে দুবার রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং বর্ণবৈষম্য বিরোধী লড়াইয়ের জন্য পরিচিত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে ।
পরিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, “আমাদের বাবা শুধু আমাদের পরিবারের নয়, বিশ্বজুড়ে নিপীড়িত, অবহেলিত ও নীরব মানুষের জন্য কাজ করেছেন। আমরা তাঁকে পৃথিবীর সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলাম, আর তার বদলে পৃথিবী আমাদের বৃহত্তর পরিবারের অংশ হয়ে উঠেছিল। ন্যায়, সমতা ও ভালোবাসার প্রতি তাঁর অটল বিশ্বাস লক্ষ লক্ষ মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমরা আপনাদের অনুরোধ করছি, তিনি যে মূল্যবোধের জন্য লড়েছেন, সেই লড়াই চালিয়ে গিয়েই তাঁর স্মৃতিকে সম্মান জানান।”
বিবৃতিতে মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়নি, তবে বলা হয়েছে যে তিনি পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।
২০১৩ সালে তাঁর পারকিনসন রোগ ধরা পড়ে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে তাঁর সংস্থা রেইনবো কোয়ালিশন/পুশ জানিয়েছিল যে পরে তাঁর অসুস্থতা প্রগ্রেসিভ সুপ্রানিউক্লিয়ার পালসি, এক ধরনের স্নায়বিক অবক্ষয়জনিত রোগ, হিসেবে নির্ধারিত হয়।
গত নভেম্বরে তিনি প্রায় দুই সপ্তাহ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং পরে ওই অসুস্থতার জন্য একটি বিশেষ হসপিটাল ফেসিলিটিতেও চিকিৎসা হয় তাঁর।

 

রেভারেন্ড আল শার্পটন এক বিবৃতিতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “আমাদের দেশ তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নৈতিক কণ্ঠস্বরকে হারাল।”

তিনি লেখেন, “যেখানেই মানবিক মর্যাদা আক্রমণের মুখে পড়েছে, বিদেশে বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে বা দেশে অবিচারের বিরুদ্ধে, সেখানেই রেভারেন্ড জ্যাকসন রুখে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর কণ্ঠস্বর বোর্ডরুমেও প্রতিধ্বনিত হয়েছে, জেলখানাতেও। তাঁর উপস্থিতি ঘরের পরিবেশ বদলে দিত। তাঁর বিশ্বাস কখনও টলেনি।”
দক্ষিণ ক্যারোলিনার বর্ণবিদ্বেষী বিভাজনের যুগে গ্রিনভিলে জন্ম নেওয়া জ্যাকসন ছিলেন এক বিস্ময় প্রতিভা।কুড়ির কোঠাতেই জাতীয় পরিচিতি পান, তিরিশে পৌঁছে শ্বেত ও কৃষ্ণ উভয় আমেরিকার কাছেই বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন, চল্লিশে আন্তর্জাতিক সঙ্কট মেটাতে ভূমিকা নেন, পঞ্চাশে সিএনএন অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ও রাষ্ট্রপতির আস্থাভাজন হন, এবং সবশেষে একজন সম্মানিত প্রবীণ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান।তাঁর বক্তৃতা ছিল বিদ্যুত্ময়, কিন্তু সমালোচনা থেকে তিনিও কখনও মুক্ত হতে পারেননি।অনেকের মতে, তিনি কাজের চেয়ে প্রদর্শন বেশি করেন। মতাদর্শগত সমর্থকরাও তাঁকে অবিশ্বাস্য ও আত্মমুগ্ধ বলে মনে করতেন। রক্ষণশীলদের অভিযোগ, তিনি রাজনৈতিক স্বার্থে বর্ণগত বিভাজন উসকে দিয়েছেন।
নির্বাচনী সাফল্য তাঁকে এড়িয়ে গেছে।ওয়াশিংটন ডিসির একটি প্রতীকী পদে শুধুমাত্র তিনি বিজয়ী হন। তবে ১৯৮৪ ও ১৯৮৮ সালের তাঁর রাষ্ট্রপতি প্রচারাভিযান আধুনিক ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বহুজাতিক ভোটার জোটভিত্তিক অর্থনৈতিক ন্যায়ের রাজনীতির রূপরেখা গড়ে দেয়।
২০২০ সালে এক নির্বাচনী সভায় সেনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বলেছিলেন, “আমার মতে যদি জেসি জ্যাকসন না থাকতেন, তাহলে কখনও বারাক ওবামা রাষ্ট্রপতি হতেন না।” স্যান্ডার্স বহুবারই জ্যাকসনকে নিজের অনুপ্রেরণা বলেছেন।

 

অবিবাহিতা কিশোরী মায়ের সন্তান জ্যাকসন বড় হন তাঁর বাবার পরিবারের বাড়ির সামনেই; বন্ধুরা বলেছেন, এই প্রত্যাখ্যানের বেদনা বহু দশক পরেও তাঁকে তাড়া কড়ে স্কুলজীবনে তিনি ক্লাস প্রেসিডেন্ট ও দক্ষ ক্রীড়াবিদ ছিলেন। পরে ১৯৬৪ সালে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন; সেখানেও তিনি ক্লাস প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
কলেজে পড়ার সময় গ্রিনভিলের একটি পাবলিক লাইব্রেরিতে বসে প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার পর তিনি শিকাগোতে চলে যান ডিভিনিটি স্কুলে পড়তে এবং নাগরিক অধিকার আন্দোলনে আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।তিনি আলাবামার সেলমা থেকে মন্টগোমারি পর্যন্ত ঐতিহাসিক মিছিলে অংশ নেন এবং কিং-এর নেতৃত্বাধীন সাউদার্ন ক্রিশ্চিয়ান লিডারশিপ কনফারেন্সের শিকাগো শাখা গড়ে তোলেন। পরে তাঁকে সংস্থাটির অর্থনৈতিক শাখা ‘অপারেশন ব্রেডবাস্কেট’-এর নেতৃত্ব দেওয়া হয়, যা বৈষম্যমূলক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বয়কট সংগঠিত করত।
তাঁর উচ্চাকাঙ্ক্ষা অনেককে মুগ্ধ করলেও মতভেদও তৈরি হয়েছিল। ১৯৬৮ সালে কিং হত্যার পর তাঁর আচরণ কিং পরিবারের সঙ্গে স্থায়ী দূরত্ব তৈরি করে। জ্যাকসন, যিনি সেই সময় বারান্দার নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন যখন কিংকে গুলি করা হয়, পরদিন টেলিভিশনে কিং-এর রক্তমাখা শার্ট পরে উপস্থিত হন। ১৯৭১ সালে রালফ অ্যাবারনাথি ও অন্যরা তাঁকে এসসিএলসি নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেন, যদিও জ্যাকসন দাবি করেন, তিনি কেবল কিং-এর অর্থনৈতিক ন্যায়ের পথ অনুসরণ করছিলেন।২০০৮ সালের এক সাক্ষাৎকারে তিনি কিং-এর মৃত্যুর পরের আচরণ ব্যাখ্যা করে বলেন, “যদি ওই কয়েক ঘণ্টায় ভুল করে থাকি, তা উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়, শোকের কারণে হয়েছিল।”

পরে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘পিপল ইউনাইটেড টু সার্ভ হিউম্যানিটি’ বা পুশ। এই সংগঠন ম্যাকডোনাল্ডস, আনহয়জার-বুশ, সিয়ার্স এবং জাপানি গাড়ি নির্মাতাদের মতো বহু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বয়কট চালায় বা হুমকি দেয়। তাঁদের দাবি ছিল, আরও কৃষ্ণাঙ্গ কর্মী নিয়োগ, কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায় ও ব্যবসায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি, এবং কৃষ্ণাঙ্গ মালিকানাধীন গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন।
১৯৮৪ সালের এক বক্তৃতায় তিনি বলেন, “নাগরিক অধিকারের নতুন সীমানা হল অর্থনৈতিক অধিকার -‘সিলভার রাইটস’। আমরা যদি ব্যবহারকারী হিসেবে বছরে এক ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে পারি, তোবে শুধু কেনাকাটার রসিদ নয়, তার ন্যায্য সুবিধাও পাওয়ার অধিকার আছে।
রক্ষণশীল রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীরা তাঁকে ‘চাঁদাবাজ’ বলে সমালোচনা করতেন। তাঁদের অভিযোগ ছিল, তাঁর বয়কট ও সমঝোতা থেকে সাধারণ কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের চেয়ে তাঁর রাজনৈতিক সহযোগীরাই বেশি সুবিধা পেতেন।

তবে তিনি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও এক অপ্রত্যাশিত মধ্যস্থতাকারী হয়ে ওঠেন। ১৯৮৩ সালে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হাফেজ আল-আসাদের সঙ্গে আলোচনায় লেবাননে গুলিবিদ্ধ এক মার্কিন পাইলটকে মুক্ত করান। পরের বছর কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে কথা বলে বন্দি ২২ জন আমেরিকানকে মুক্ত করান।

 

এই আন্তর্জাতিক ভূমিকা তাঁর রাষ্ট্রপতি প্রার্থীতা প্রচারের মঞ্চ তৈরি করে। রোনাল্ড রেগানের শাসনামলে, যখন রক্ষণশীল আন্দোলন শীর্ষে, তাঁর প্রচারাভিযান, বিশেষ করে দ্বিতীয়টি, আধুনিক প্রগতিবাদী রাজনীতির ভিত্তি স্থাপন করে; এটি ছিল নবউদারবাদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক প্রগতিশীল প্রতিবাদের সূচনা। তিনি তথাকথিত “অ্যাটারি ডেমোক্র্যাট” নামে পরিচিত মধ্যপন্থী তরুণ রাজনীতিকদের চ্যালেঞ্জ করেন।

তিনি নিজেকে কেবল কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারের প্রার্থী হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে এক অর্থনৈতিক জনমুখী নেতা হিসেবে তুলে ধরতে চান। আলাবামার আইনসভায় তিনি এক বক্তৃতায় বিদেশি পণ্যের আগ্রাসনের সমালোচনা করে সাবেক ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদেরও মুগ্ধ করেন। আইওয়ার ছোট্ট সাদা অধ্যুষিত গ্রিনফিল্ড শহরকে তিনি রাজ্যজুড়ে প্রচারের কেন্দ্র বানান এবং কৃষকদের সঙ্গে অর্থনীতি নিয়ে সহজভাবে কথা বলে তাঁদের সমর্থন পান।
তিনি ফেডারেল শিক্ষাবাজেট দ্বিগুণ করার, ‘মেডিকেয়ার ফর অল’-এর মতো স্বাস্থ্যব্যবস্থা চালু, জাতীয় অবকাঠামো ব্যাংক তৈরি, ধনীদের ওপর কর বাড়ানো এবং সামরিক ব্যয় স্থগিত করার প্রস্তাব দেন। মধ্য আমেরিকায় মার্কিন যুদ্ধনীতি ও দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবিদ্বেষী শাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিরোধিতা করেন। নেটিভ আমেরিকান রিজার্ভেশনেও প্রচার চালান এবং সমকামী ভোটারদের কাছেও পৌঁছন।
১৯৮৪ সালের ডেমোক্র্যাটিক কনভেনশনে তিনি বলেন, “আমাদের পতাকা লাল-সাদা-নীল, কিন্তু আমাদের দেশ এক রামধনু, লাল, হলুদ, বাদামি, কৃষ্ণ, সাদা – আমরা সবাই ঈশ্বরের চোখে মূল্যবান।”
প্রথম প্রচারে তাঁকে প্রায় উপদ্রব হিসেবে দেখা হয়েছিল। কিন্তু ১৮ শতাংশ ভোট পাওয়ার পর দ্বিতীয় প্রচারে তিনি সত্যিকারের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠেন। তিনি প্রায় ৩০ শতাংশ ভোট পান এবং ১৩টি প্রাইমারি বা ককাস জেতেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ডেমোক্র্যাটিক কনভেনশনে গিয়ে ডুকাকিসের কাছে পরাজিত হন।

 

১৯৮০-এর দশকে জেসি জ্যাকসনের প্রচারাভিযানের ফলে বিপুল সংখ্যক কৃষ্ণাঙ্গ ভোটার ভোটার তালিকায় নাম লেখান। দলীয় কৌশলবিদদের মতে, এতে ১৯৮৬ সালে ডেমোক্র্যাটদের সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পেতে সহায়তা হয়। এই সময় থেকেই অনেক প্রভাবশালী কৃষ্ণাঙ্গ রাজনৈতিক নেত্রী উঠে আসেন।
তবে বিতর্কও ছিল। একবার নিউইয়র্ক সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করায় তাঁর বিরুদ্ধে ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগ ওঠে; পরে তিনি ক্ষমা চান। আবার বিতর্কিত নেতা লুইস ফারাখানের সঙ্গে দূরত্ব না রাখায়ও তিনি সমালোচিত হন।
নব্বইয়ের দশকে তিনি সিএনএনে “বোথ সাইডস উইথ জেসি জ্যাকসন” নামে বিতর্ক অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। ১৯৯০ সালে তিনি তাঁর একমাত্র নির্বাচন জেতেন ওয়াশিংটন ডিসির “শ্যাডো সেনেটর” পদে, যার কাজ ছিল ডিসির রাজ্য মর্যাদার পক্ষে লবিং করা। তবে তিনি নিয়মিত উপস্থিত থাকতেন না এবং ১৯৯৬ সালে পুনর্নির্বাচনে দাঁড়াননি।

১৯৯২ সালে জেসি জ্যাকসন অনিচ্ছাকৃতভাবে এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন। ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী বিল ক্লিনটন তাঁর এক সম্মেলনে এসে বিতর্কিত বক্তাকে মঞ্চ দেওয়ার জন্য সংগঠনটির সমালোচনা করেন। অনেকের মতে, এটি জ্যাকসনকে রাজনৈতিকভাবে বিব্রত করার কৌশল ছিল। পরে জ্যাকসন বলেন, বৃহত্তর স্বার্থে তিনি ব্যক্তিগত আঘাত মেনে নিয়েছিলেন।
নব্বইয়ের দশকে ক্লিনটনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা বাড়ে; ২০০০ সালে ক্লিনটন তাঁকে প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম দেন।
২০০৮ সালে তিনি বারাক ওবামার রাষ্ট্রপতি প্রার্থীতা সমর্থন করেন, যদিও পরে এক ব্যক্তিগত মন্তব্য ফাঁস হয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয় এবং তিনি ক্ষমা চান।


১৯৬২ সালে ছাত্রাবস্থায়ই তিনি জ্যাকুলিন ব্রাউনকে বিয়ে করেন। তাঁদের পাঁচ সন্তান। ছেলে জেসি জুনিয়র ১৭ বছর কংগ্রেসে থাকার পর দুর্নীতির মামলায় দোষ স্বীকার করে কারাদণ্ড ভোগ করেন; অন্য ছেলে জনাথন ২০২২ সালে কংগ্রেসে নির্বাচিত হন।
দুই হাজার দশকের মাঝামাঝি যখন আবার সামাজিক ও বর্ণগত ন্যায়ের আন্দোলন জোরদার হয়, তখন জ্যাকসন ইতিমধ্যেই প্রবীণ রাষ্ট্রনায়কের মর্যাদা পেয়েছেন। অসুস্থতা সত্ত্বেও তিনি সক্রিয় ছিলেন, ফার্গুসন ও মিনিয়াপোলিসে বিক্ষোভে যোগ দেন, ন্যায়বিচারের দাবি তোলেন।

২০২৩ সালে তিনি রেইনবো/পুশ নেতৃত্ব ছাড়েন, তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মত প্রকাশ চালিয়ে যান। গাজা যুদ্ধ নিয়ে তিনি কঠোর সমালোচনা করেন এবং ছাত্র আন্দোলনকে উৎসাহ দেন। ২০২৪ নির্বাচনের আগে তিনি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প “আমাদের আবার শ্বেত আধিপত্যের যুগে টেনে নিয়ে যেতে চান।”
এইভাবেই প্রভাবশালী কিন্তু বিতর্কিত জীবনের অবসান হল যিনি নাগরিক অধিকার, অর্থনৈতিক ন্যায় ও রাজনৈতিক ঐক্যের ধারণাকে নতুনভাবে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছিলেন।

 

 

 

Author

You may also like

Leave a Comment

Description. online stores, news, magazine or review sites.

Edtior's Picks

Latest Articles