বাংলাস্ফিয়ার: প্রত্যেক বছরের মতো এ বছরও হিঙ্গলগঞ্জের চাড়ালখালি চন্দনপুরের ঐতিহাসিক হরি মেলা বিপুল উৎসাহে পালিত হচ্ছে।প্রায় দুশো বছরের প্রাচীন এই মেলাটি আর পাঁচটা সাধারণ মেলার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ বলেই পরিচিত এই ঐতিহাসিক মেলা।
গোটা সপ্তাহ জুড়ে বসে এই মেলা। দূরদূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ আসছেন। গোটা মেলা কালো মাথায় ছেড়ে গিয়েছে। কলকাতা, বসিরহাট সহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তরা মন্দিরে পুজো-অর্চনা করেন। এবং নিজেদের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা জানান। প্রতি বছরই এই মেলায় মানুষের ঢল নামে।
মেলায় রয়েছে নাগরদোলা, কচিকাচাদের জন্য জাম্পিংসহ নানা আকর্ষণ। এছাড়াও হারিয়ে যেতে বসা নাট্যধারাকে ধরে রাখার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বলাই বাহুল্য, মেলা প্রাঙ্গণ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে আনন্দের উচ্ছ্বসের ছবি।
হরি মেলা কমিটির সম্পাদক আশুতোষ কামিলা জানান, মন্দিরের পুনর্নির্মাণের জন্য কোনও একক ব্যক্তির উদ্যোগে নয়। সাধারণ মানুষের অনুদানেই এই কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। সেইসঙ্গে তাঁর আরও সংযোজন, মানুষের সহযোগিতাতেই এই মেলা ও মন্দির টিকে রয়েছে।
এদিন মেলায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য পুষ্পিতা মণ্ডল সরকার, সাহেবখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আশুতোষ কামিলা, পঞ্চায়েত সদস্য ভবানী মিস্ত্রি সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি।