বাংলাস্ফিয়ার: কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালের বিরুদ্ধে সদ্যোজাত শিশু চুরির মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ উঠেছে।
জানা গিয়েছে, নবদ্বীপের বাসিন্দা মাম্পি খাতুন গত ২৮ জানুয়ারি তীব্র প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। মহিলা ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসা চলাকালীন হঠাৎ-ই ডাক্তাররা জানায় যে, কোনও শিশুরই নাকি জন্ম দেননি মাম্পি খাতুন। এমনকি তাঁর গর্ভে সন্তান ছিল না বলেও জোর গলায় দাবি করেন ডাক্তাররা।
এদিকে হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, ভর্তি হওয়ার পর সমস্ত নিয়ম মেনে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসা চলছিল মহিলার। যদিও পরিবারের সদস্যরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও কথাই কিছুতেই মানতে চান না। তাঁরা সাফ জানান যে, ইউএসজি রিপোর্ট সহ একাধিক মেডিক্যাল রিপোর্টে মাম্পি খাতুনের অন্তঃসত্ত্বা থাকার প্রমাণ মিলেছে। তাহলে কীভাবে সন্তান প্রসবের কথা অস্বীকার করছেন ডাক্তাররা? এই প্রশ্নেরই সম্মুখীন হতে হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। সন্তোষজনক উত্তর না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন মহিলা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

এরপর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ পরিবার ও আত্মীয়রা কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালের এমার্জেন্সি গেট আটকে বিক্ষোভ শুরু করেন। নিমেষে ভিড় জমে যায় হাসপাতাল চত্বরে।সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়হাসপাতালের জরুরি পরিষেবা।
ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসে স্বাস্থ্য দফতর। নদীয়া জেলার সিএমওএইচ ডাঃ রঞ্জিত কুমার দাস এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন। তাঁর বক্তব্য, একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসা পদ্ধতি, মেডিক্যাল রিপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট সমস্ত নথি খতিয়ে দেখা হবে।